Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
SIR Hearing

SIR শুনানিতে বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক, পাশে থাকার আশ্বাস তৃণমূলের

শুক্রবার শুনানিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেন বিজেপি বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৯:২৫

options
link
SIR শুনানিতে বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক, পাশে থাকার আশ্বাস তৃণমূলের zoom

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: তিনি জনপ্রতিনিধি। ভোটে লড়ে বিধায়ক পদ পান। এসআইআর শুনানিতে (SIR Hearing) বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক স্বপন মজুমদার (Swapan Majundar)। শুক্রবার বনগাঁর একটি মাদ্রাসায় তিনি যান। এবং শুনানিতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেন। এই ঘটনা নিয়ে শুরু জোর রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপিকে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। প্রয়োজনে শাসক শিবিরের তরফে পাশে থাকার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।

জানা গিয়েছে, বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না ৷ ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতে তাঁর বাবা-মায়েরও নাম নেই ৷ সে কারণেই তাঁকে এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানানো হয়েছে। শুনানিতে গিয়ে নথিপত্র হিসাবে জন্ম শংসাপত্র, পাসপোর্ট, বাবার মৃত্যুর শংসাপত্র জমা দেন। তারপর স্বপন মজুমদার বলেন, “এদেশেই আমার জন্ম। ১৯৯৯ সালে আমার ১৮ বছর হয়। আমি মুম্বইতে কাজে চলে গিয়েছিলাম। ২০১২ সালে ফিরে ভোটার তালিকায় নাম তুলেছি। ১৯৯৯ সালে বাবা মারা গিয়েছিলেন। তাই বাবার তালিকায় নাম নেই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিধায়কের আরও দাবি, “আমি মামার বাড়ি নথিপত্র ম্যাপিং করতে পারতাম। কিন্তু করিনি। কারণ, অন্যদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করেছি।” এ বিষয়ে বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “উনি যে দলের বিধায়ক সেই দলই চক্রান্ত করে মতুয়া উদ্বাস্তুদের নাম কেটে দিচ্ছে ৷ স্বপনবাবু এবার বুঝুন তিনি কোন দল করেন ৷ যদি ভোটার তালিকা থেকে ওঁর নাম বাদ যায়, প্রয়োজনে আমরা পাশে থাকব ৷ মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন কাউকে এখান থেকে তাড়াতে দেবেন না।”

বলে রাখা ভালো, এর আগে তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই ছেলে, বোন এবং বয়স্কা মাকেও এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয়। কাকলির দাবি হেনস্তা করতেই তলব করা হয় তাঁদের। যদিও কাকলির দাবি উড়িয়ে দেয় নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ উড়িয়ে কমিশনের দাবি, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দাবি বিভ্রান্তিকর। সাংসদের পরিবারের সদস্যরা সঠিকভাবে এনুমারেশন ফর্ম ফিলআপ করেননি। তাঁরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সঠিকভাবে লিংক করেননি। সে কারণেই তাঁদের নোটিস দিয়ে এসআইআর শুনানিতে তলব করা হয়েছে। যদিও কমিশনের দাবি উড়িয়ে দেন সাংসদ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.