BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বনগাঁয় আগুন জ্বলবে’, বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধরের ঘটনায় হুঁশিয়ারি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: June 11, 2020 3:44 pm|    Updated: June 11, 2020 4:35 pm

An Images

জ্যোতি চক্রবর্তী, বনগাঁ: ফের বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বনগাঁর বিএসএফ মোড় এলাকা। বৃহস্পতিবার সকালে দোকান থেকে টেনে এক বিজেপি কর্মীকে বাঁশ, লাঠি, রড দিয়ে মারধরের অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে৷আর তার প্রতিবাদ জানাতে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়ে বসলেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। বললেন, ”পরিষ্কার বলছি,২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ নিয়ে পুলিশ পদক্ষেপ না করলে, বনগাঁয় আগুন জ্বলবে।”

জানা গিয়েছে, বনগাঁ থানার বিএসএফ মোড় এলাকায় ভবানীপুর রোডের মুখে বিজেপি গ্রামীণ শক্তিকেন্দ্রের প্রমুখ সুতনু দেবনাথের একটি মোটর পার্টসের দোকান আছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জনা কয়েক দুষ্কৃতী সেখানে গিয়ে দোকানঘর থেকে তাঁকে টেনে বার করে মারধর করে বলে অভিযোগ৷ সুতনুর মাথায় আঘাত লাগে, হাতে ও পায়েও গুরুতর চোট পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে উদ্ধার করে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।

[আরও পড়ুন: পর্যটকদের জন্য সুখবর, আনলক ওয়ানেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে দিঘার হোটেল]

দলীয় কর্মীর উপর এমন অত্যাচারের খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বারাসাত সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি দেবদাস মণ্ডল ও বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস। তাঁদের বক্তব্য, বিজেপির হয়ে কাজ করছেন সুতনু। তাই তৃণমূল গুন্ডাবাহিনীকে কাজে লাগিয়ে যুবককে এমন নৃশংসভাবে মারধর করল। ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপি নেতা কর্মীরা বনগাঁ থানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে। পুলিশ অবস্থান তুলতে গেলে বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। কিন্তু তা সত্ত্বেও পুলিশের বাধা এবং বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস-সহ বিজেপি মহিলা ও পুরুষ কর্মী-সমর্থকরা থানার সামনে অবস্থানে অনড়।

[আরও পড়ুন: সাগর দত্ত মেডিক্যালে করোনা চিকিৎসা নিয়ে ক্ষোভ, কর্মবিরতিতে ইন্টার্ন-জুনিয়র ডাক্তাররা]

পরে সেখানে যোগ দেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তিনি হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, ঘটনায় পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে বনগাঁয় আগুন জ্বলবে। তৃণমূল এভাবে মানুষের মনে ভীতি তৈরি করছে, সন্ত্রাসের আবহ ছড়িয়ে পড়ছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলে খবর। থানা থেকে মিছিল করে কয়েকশো বিজেপি কর্মী, সমর্থক জখম বিজেপি কর্মী সুতনুর বাড়িতে যান। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

এদিকে তৃণমূলের তরফে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা তথা বনগাঁর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান শংকর আঢ্য বলেন, ”ওই যুবক মুখ্যমন্ত্রীর নামে গালিগালাজ করছিল। এলাকার লোকজন প্রতিবাদ করেছেন। বিজেপি কর্মীরা হাসপাতালে গিয়ে স্বাস্থ্যকর্মীকে মারধর করেছেন। এর সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement