Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
বিশ্বভারতী

বিশ্বভারতীতে বিজেপি সাংসদকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, দেখানো হল কালো পতাকা

বিজেপি সাংসদের বক্তৃতা দেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সেমিনার বয়কটের ডাক দেন পড়ুয়াদের একাংশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ১৭:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৮, ২০২০, ১৭:১৮

options
link
বিশ্বভারতীতে বিজেপি সাংসদকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান, দেখানো হল কালো পতাকা zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পড়ুয়াদের বিরোধিতা সত্ত্বেও বিশ্বভারতীতে পৌঁছেই বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত। বিজেপি সাংসদকে কালো পতাকা দেখায় পড়ুায়রা। ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও তোলেন তাঁরা। দীর্ঘক্ষণ ঘেরাও করে রাখা হয় স্বপন দাশগুপ্তকে। এদিন বিশ্বভারতীর লিপিকা প্রেক্ষাগৃহে ‘The CAA-2019: Understanding and Interpretation’-এই বিষয়ের উপর বক্তৃতা দেওয়ার কথা ছিল বিজেপি সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তের। সেই কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনি। 

কয়েকদিন আগেই বিশ্বভারতীর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, বিশ্বভারতীর কোট সদস্য তথা বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত বিশ্বভারতীর একটি সেমিনারে যোগ দেবেন। সেখানে ‘The CAA-2019: Understanding and Interpretation’ এই বিষয়ের উপর বক্তৃতা দেবেন তিনি। জানানো হয়েছিল বিশ্বভারতীর লিপিকা প্রেক্ষাগৃহে সেই বক্তৃতার আয়োজন করা হবে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সেমিনার বয়কটের ডাক দেন পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের একাংশ। তাঁদের পাশে দাঁড়ান ছাত্র-অধ্যাপকদের একাধিক সংগঠন। তাঁরা প্রশ্ন তোলেন বিশ্বভারতীতে এহেন বক্তৃতার প্রয়োজনীয়তা নিয়েও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিশ্বভারতী চত্বর। এই পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার বিশ্বভারতী পৌঁছন বিজেপি সাংসদ। বিশ্ববিদ্যলয় চত্বরে ঢুকতেই বাধার মুখে পড়েন বিজেপি সাংসদ। তাঁর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখা হয় তাঁকে। স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যাম্পাস। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ধর্মঘট ঘিরে অগ্নিগর্ভ মালদহ, বিক্ষোভকারীদের হঠাতে শূন্যে গুলি পুলিশের]

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই NRC ও CCA ইস্যুতে উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। প্রতিবাদে সরব আমআদমি থেকে শুরু করে তাবড় তাবড় ব্যক্তিত্বরা। আন্দোলনে পথে নেমেছিল পড়ুয়ারাও। পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এখনও ফুঁসছে দেশবাসী। বাধ্য হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে NRC ও CCA’র সম্পর্কে বোঝানো হবে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বভারতীর মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নাগরিকত্ব আইন প্রসঙ্গে রাজ্যসভার সাংসদ স্বপন দাশগুপ্তের বক্তৃতা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে সমালোচনা। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.