স্টাফ রিপোর্টার: কাঁথির সভার পোস্টারে দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh) নাম ও ছবি বাদ দিয়ে দলের আদি নেতা-কর্মীদের ক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কাঁথির সভার পোস্টার বা হোর্ডিংয়ে মোদি, নাড্ডা, সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumder) নাম-ছবি থাকলেও ব্রাত্য ছিলেন দিলীপ ঘোষ। বিষয়টি নিয়ে শুভেন্দুর উপর তুমুল চটেছে দিলীপ শিবির। তাঁদের প্রশ্ন, সুকান্ত মজুমদারও কাঁথিতে যাননি। তাহলে তাঁর ছবি কেন? উল্টোদিকে কেন বাদ দিলীপ ঘোষ?
শুভেন্দুর তারিখ রাজনীতির প্রকাশ্যেই বিরোধিতা করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। পালটা দিলীপকে ‘মর্নিং ওয়াক’ নিয়ে প্রকাশ্যে তোপ দাগেন বিরোধী দলনেতা। দলের চাপের মুখে শেষে তারিখ রাজনীতির দায় নিজের ঘাড়ে নিতে বাধ্য হন শুভেন্দু। দলের একাংশের অভিযোগ, ব্যক্তিগত রোষে কাঁথির পোস্টারে দিলীপ ঘোষের নাম বা ছবি দেননি শুভেন্দু। দিলীপ শিবিরের বক্তব্য, চারদিকে প্রচার ও আগে থেকে হাঁকডাক করার পরও বুধবার চূড়ান্ত ফ্লপ হয়েছে কাঁথির সভা। একে ছোট মাঠ, হাজার ছয়েকের বেশি লোক ধরে না। তার উপর দেখা গিয়েছে, সভা যখন মধ্যগগনে, মঞ্চে বিরোধী দলনেতা, তখন মাঠের মাঝে বহু চেয়ার ফাঁকা। অন্য জেলা থেকে লোক এনেও সভার মাঠ ভরানো যায়নি। ফলে মুখ পুড়েছে দলের। এমনটাই বলছেন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার আদি বিজেপি-নেতা কর্মীরা।
[আরও পড়ুন: ‘সিবিআই-ইডির চোখে অভিযুক্তদের পাশে বসব না’, পৌষমেলার সূচনায় বিতর্কে বিশ্বভারতীর উপাচার্য]
এখনও বঙ্গ বিজেপির সফলতম সভাপতি হিসাবেই ধরা হয় দিলীপকে। দলের মধ্যে জনপ্রিয়তায় তিনিই শীর্ষে। বিভিন্ন দলীয় বৈঠকেও তাঁকে ঘিরে কর্মীদের উন্মাদনাই তার প্রমাণ। বাংলায় দলের কোর কমিটির অন্যতম নেতা তিনি। সম্প্রতি দলের কেন্দ্রীয় নেতা বি এল সন্তোষও এসে পরোক্ষে বার্তা দিয়ে গিয়েছেন, দলের কোনও কর্মসূচির কথা যদি দিলীপ ঘোষকে না জানানো হয় তাহলে দলেরই ক্ষতি। ফলে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতিকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব গুরুত্ব দিলেও কাঁথিতে দিলীপ ঘোষকে কেন শুভেন্দু বাদ দিলেন তা নিয়ে গেরুয়া শিবিরেই চর্চা শুরু। ক্ষোভে ফুঁসছেন পশ্চিম মেদিনীপুর সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরে দিলীপ ঘনিষ্ঠ পুরনো নেতা-কর্মীরা। বিষয়টি ভাল চোখে দেখছে না আরএসএসও। প্রশ্ন উঠেছে, দিল্লির নেতারা যখন সাংসদ-বিধায়ক-সহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন, সকলকে একসঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। তখন নিজের মতো করে কেন দল চালানোর চেষ্টা করছেন বিরোধী দলনেতা? দিলীপ ঘোষের মতো নেতাকে কেন বারবার অপমান করছেন তিনি?
[আরও পড়ুন: ভারতীয় হ্যান্ডলারের মাধ্যমে পাকিস্তানে তথ্য পাচার? শিলিগুড়িতে ধৃত চরকে নিয়ে তদন্তে STF]
সর্বশেষ খবর
-
১৯৭০-এর মডেল, ৬,১৭৫ গ্রাম সোনা! ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির দাম শুনলে চমকে যাবেন
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের