দেবাদৃতা মণ্ডল, হুগলি: নানা সময়ে সরকারি প্রকল্প থেকে নেওয়া কাটমানি ফেরতের দাবিতে এবার মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তর বাড়ির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করলেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। শুক্রবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে চুঁচুড়ায় ফুলপুকুর রোডে মন্ত্রীর আবাসনের সামনে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় ওই এলাকায়।
[ আরও পড়ুন: ‘গ্রেপ্তার করতে হবে অর্জুন সিংকে’, ভাটপাড়া ঘুরে দাবি তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ]
জানা গিয়েছে, এদিন অবস্থান বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন হুগলি জেলার বিজেপির ওবিসি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ ও সহ সভাপতি রাজীব নাগ, ওবিসি মোর্চার রাজ্য নেতা ইন্দ্রজিৎ মল্লিক। শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ মিছিল করে বিজেপির মন্ত্রী তপন দাশগুপ্তের আবাসনের সামনে হাজির হন বিজেপি নেতা-কর্মীরা৷ এবং সেখানেই অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তাঁরা। স্লোগান আর হাততালির সঙ্গে টাকা ফেরতের দাবিতে সরব হন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। জেলা ওবিসি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন, “মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত জেলার ভগবান। বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প-সহ টোটো, অটো, প্রোমোটার, ঠিকাদার, উমেদারদের থেকে উনি ও ওঁর ভাই গোবিন্দ দাশগুপ্ত কাটমানি নেন। জেলার দলীয় কর্মীরা ওঁকে তুষ্ট করতে সব কাজের ক্ষেত্রে কাটমানি দেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কাটমানি যাঁরা নিয়েছেন তাঁরা ফেরত দিন। আমরা কাটমানি ফেরতের দাবি তুলছি।”
[ আরও পড়ুন: রাজ্য সড়কের বেহাল দশায় ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা, মেরামতির দাবিতে বিক্ষোভ পড়ুয়াদের ]
যদিও এই বিষয়ে মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত বলেন, “আমি বিজেপির জেলা সভাপতি সুবীর নাগকে ফোন করেছিলাম। সুবীর আমাকে বলেছে ওরা বিজেপির কেউ নয়। ওঁরা আমার বাড়ির সামনে কিছুক্ষণ বসেছিল, পরে চলে যান। একইদিনে আরামবাগের কাউন্সিলর হিমাংশু মালিকের বাড়ি ও দোকানেও বিক্ষোভ দেখান বিজেপির কর্মীরা। মেদিনীপুরে তৃণমূল নেত্রী মৌ রায়ের বাড়িতেও চলে বিক্ষোভ। দু’জনের বিরুদ্ধেই কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।
সর্বশেষ খবর
-
অবসরের আগেই নিজের টিভি শো, রোহিতকে আজীবনের জন্য নিষিদ্ধ করছে বোর্ড?
-
রাজ্যজুড়ে ছড়িয়ে ৫০০ ভুয়ো ডাক্তার! ১০ লক্ষের বিনিময়ে মিলেছে রেজিস্ট্রেশন নম্বর
-
চকোলেট চুরি করে খাওয়ায় চাকরি হারাল যুবক, অভিযুক্তকে ‘ব্ল্যাকমেল’ খোদ সংস্থার
-
উত্তরাখণ্ডে ভোটের মুখে বিরাট ধাক্কা কংগ্রেসের, দলের সব পদ ছাড়লেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী
-
বঙ্গ তারকার চোটে দলে জায়গা, দলীপ ফাইনালে সেঞ্চুরির পর জাতীয় দলে খেলার স্বপ্ন তরুণ তুর্কির