Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

ফের শিরোনামে বলরামপুর, বিজেপি কর্মীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে উত্তেজনা

টহলরত তিন নাগা জওয়ানকে ঘিরে রাখল গ্রামবাসীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৮, ১২:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০১৮, ১২:২৮

options
link
ফের শিরোনামে বলরামপুর, বিজেপি কর্মীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে উত্তেজনা zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: আবার তিনদিনের মাথায় সেই জঙ্গলমহল বলরামপুরে বিজেপি কর্মীকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ পুরুলিয়ার বলরামপুরের সেরেংহাতু গ্রামে বিজেপি কর্মী নিরঞ্জন লায়াকে অজ্ঞাতপরিচয় কিছু লোকজন অপহরণ করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনায় ওই দিন রাত থেকে তোলপাড় গোটা বলরামপুর। অভিযোগ, ওই বিজেপি কর্মীকে অপহরণের চেষ্টার সঙ্গে-সঙ্গে তিনি তার মোবাইল থেকে পড়শিকে ফোনে জানিয়ে দিলে লাগোয়া চার গ্রামের বাসিন্দারা চলে এলে ওই বহিরাগতরা পালিয়ে যায়। পরে সেখানে একটি গাড়িতে তিনজন নাগা জওয়ানকে দেখতে পাওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা তাঁদের ঘিরে ধরে বলে অভিযোগ। প্রায় ঘন্টা দেড়েক তাঁদেরকে আটকে রাখার পর পুলিশে খবর গেলে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। তবে বহিরাগতদের এই অপহরনের বিষয়টিকে একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন পুরুলিয়ার নতুন পুলিশ সুপার আকাশ মাঘারিয়া। তিনি বলেন, “এই ঘটনা একেবারে ভিত্তিহীন। কিছু না পেয়ে টহলরত নাগা জওয়ানদেরকে ঘিরে রাখা হয়।” কিন্তু গ্রামবাসীদের অভিযোগ নাগা জওয়ানরা টহল দিলে তাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র থাকত। ওখানে আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া নাগা জওয়ানরা কী করছিলেন সেই প্রশ্ন তুলেছেন এলাকার বাসিন্দারা।

[পুরুলিয়ায় মৃত দুই দলীয় কর্মীর পরিবারকে নিয়ে অবস্থানে বসল বিজেপি]

গত ৩০ মে এই বলরামপুরের সুপুরডি গ্রামে ত্রিলোচন মাহাতো নামে এক বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তার ঠিক তিনদিন মাথায় আবার ডাভা গ্রামে বিদ্যুৎ-র হাইটেনশেন লাইনের টাওয়ারে বিজেপি কর্মী দুলাল কুমারের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। আবার এই ঘটনার তিন দিন পরেই সেরেংহাতু গ্রামে বিজেপি অপহরনের অভিযোগ করায় খানিকটা চাপে বলরামপুর থানার পুলিশ। তবে তৃণমূলও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বিজেপি জানিয়েছে, বহিরাগতরা ওই গ্রামের বিজেপি কর্মী নিরঞ্জন লায়ার পথ আটকে অপহরণের চেষ্টা করে। ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি বলরামপুরের ঘাটবেড়া থেকে সাইকেল করে একটি বিয়ের অনুষ্ঠান সেরে ফিরছিলেন। সেইসময় মুখে কাপড়–রুমাল বাঁধা একাধিক দুষ্কৃতি তাঁর পথ আটকায়। তাঁকে অপহরণের চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। তাঁর কথায়, “ওই অবস্থায় আমি তাঁদের নজর এড়িয়ে সাত তাড়াতাড়ি পড়শিকে ফোন করি। তারপরই একাধিক গ্রামের লোকজন চলে আসায় তারা পালিয়ে যায়।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[বিজেপি করার ‘অপরাধে’ বেধড়ক মার ক্যানসার আক্রান্তকে, প্রকাশ্যে খুনের হুমকি]

ওই খবর পাওয়া মাত্র এলাকার গোহালডাং, লাগোয়া আড়শার ফুসরাটাঁড়, মুদালী এলাকার বাসিন্দারা চলে এলে ওই বহিরাগতরা পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। সেইসময় গ্রামের কিছু দূরে তিন নাগা জওয়ান কে তাদের কোনরকম আগ্নেয়াস্ত্র ছাড়া দেখতে পেয়ে এলাকার বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তাদের ঘিরে ধরে রাখে। বিজেপির জেলা সভাপতি বিদ্যাসাগর চক্রবর্তী বলেন,“আমরা গোটা বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েছি। তবে পুলিশ কোন ব্যবস্হাই নিচ্ছে না। পুলিশ এভাবে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে এলাকার মানুষজনই বহিরাগাতদের ধরবে। সেইকারনেই বলরামপুরের গ্রামে–গ্রামে রাতপাহারা শুরু হয়েছে।” তবে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে পুরুলিয়া জেলা তৃণমূল জানিয়েছে, এটা বিজেপির ষড়যন্ত্র। দলের পুরুলিয়া জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো বলেন, “বিজেপির অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। রাতে পুলিশ গ্রামে টহল দিচ্ছে। অথচ পুলিশকেই ঘিরে ধরে রাখছে। বিজেপির এই কুৎসা-ষড়যন্ত্র সাধারণ মানুষ এবার বুঝে গিয়েছেন।”

ছবি- অমিত সিং দেও

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.