দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় আবার উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং এলাকা। অভিযোগ, মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকার ৬টি বাড়িতে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১ অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
[আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল পুরুলিয়ার টুরগা প্রকল্প, ফের অনুমতি নিতে হবে রাজ্যকে]
ভোটের ফলাফল প্রকাশের দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও এখনও উত্তপ্ত রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। কোথাও শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে বিরোধীদের আক্রমণ, তাঁদের কার্যালয় ভাঙচুরের। কখনও আবার আক্রান্ত হচ্ছেন শাসকদলের কর্মীরাই। মঙ্গলবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে। জানা গিয়েছে, এদিন রাতে হঠাৎই ক্যানিংয়ের রাজারলাট এলাকার ছ’জন বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতেই ঘটনাস্থলে যান ক্যানিং থানার আইসি সতীনাথ চট্টরাজ-সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশের উপস্থিতিতে স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বিলটু হালদার নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবারই তাকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হবে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ।
স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, গেরুয়া শিবিরের কর্মী হওয়ার কারণেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কতীরা ভাঙচুর চালিয়েছে ওই ব্যক্তিদের বাড়িতে। তবে নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের অভিযোগ, বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেই এই ঘটনা। অপপ্রচার করতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে। তবে ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ কেটে গেলেও এখনও থমথমে এলাকা। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
[আরও পড়ুন: শ্বাসনালীতে খাবার আটকে বিপত্তি, ‘হাইমলিখ’ পদ্ধতির ব্যবহারেই প্রাণ বাঁচল শিশুর]