Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বিজেপিতে যোগ ২ হাজার তৃণমূলকর্মীর

শাসকদলের কপালে ভাঁজ!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০১৮, ১১:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০১৮, ১১:৫৩

options
link
পঞ্চায়েত ভোটের আগেই বিজেপিতে যোগ ২ হাজার তৃণমূলকর্মীর zoom

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: সম্প্রতি বাগনানে বিজেপির উত্থানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের কপালের ভাঁজটা আরও প্রকট হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই খোদ বাগনানের বেশ কয়েকটি গ্রামে বিজেপির বাড়বাড়ন্তের শুরু। তারপর সম্প্রতি লোকসভার উপনির্বাচনে সেই চিত্রটা আরও স্পষ্ট হয়েছে।

[পাঁচিল টপকে কীভাবে পাচার হত আগ্নেয়াস্ত্র, ইছাপুরে গোয়েন্দাদের দেখাবে ধৃতরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রবিবার বাগনানে বিজেপির জনসভায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য প্রতাপ রাণার ভাই প্রেমাংশু রানার নেতৃত্বে প্রায় দু’হাজার কট্টর তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করায় স্বভাবতই ঘাসফুলের বাগানে পদ্ম কাঁটার খোঁচা খেতে হচ্ছে বাগিচা মালিকদের। বাগনানের প্রাণকেন্দ্রের প্রায় ৯৫ শতাংশ এলাকা জুড়ে রয়েছে বাগনান-১ গ্রাম পঞ্চায়েত। আর সেই গ্রাম পঞ্চায়েতই এখন তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে গলগ্রহ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসংখ্য জনমুখী প্রকল্প এবং উন্নয়নমূলক কাজ রূপায়িত হওয়া সত্বেও গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে জনপ্রতিনিধিদের লাগামহীন লোভ এবং ক্ষমতালিপ্সু মনোভাবের জন্যেই ভোটারদের একটা অংশ তৃণমূলের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অভ্যন্তরেই বাগনান-১ গ্রাম পঞ্চায়েতকে নিয়ে বারবার নানান প্রশ্ন দানা বেঁধেছে। কখনও একশো দিনের কাজ, কখনও ট্রেড লাইসেন্স, কখনও গৃহ নির্মাণের অনুমতি প্রদান, এমনকি ডেথ সার্টিফিকেট প্রদানের ক্ষেত্রেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে। যদিও তৃণমূল নেতৃত্ব এইসব অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন।

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের সময় বিদায়ী বোর্ডের করিৎকর্মা পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত ঘাঁটি ও উপপ্রধান উত্তম পালকে টিকিট দেওয়া হয়নি। অথচ একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও প্রাক্তন পঞ্চায়েত সদস্য সুষমা চক্রবর্তীকে তৃণমূল দ্বিতীয়বারের জন্য প্রার্থী করেছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তিনি ৭৫ নম্বর বুথ ছেড়ে ৭৬ নম্বর বুথ থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আঁচ করে আগেভাগেই তাঁর নিজের ৭৫ নম্বর বুথের বাছাই করা ২৭ জন ভোটারকে ৭৬ নম্বর বুথে নাম নথিভুক্ত করান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর তিনি এই বিষয়ে বিধায়ক রাজা সেনের কাছ থেকে তিরস্কৃতও হন। এছাড়াও তাঁরই প্রতিবেশীকে সরকারি সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার জন্য হুমকি দেওয়ার মত মারাত্মক অভিযোগ উঠেছিল সুষমাদেবীর বিরুদ্ধে। যার কারণে সেই প্রতিবেশীকে হাওড়া জেলা শাসকের শরণাপন্ন পর্যন্ত হতে হয়েছিল। নিন্দুকেরা বলেন, টাকা ছাড়া সুষমাদেবী আর কিছুই বোঝেন না। এভাবেই কিছু জনপ্রতিনিধি তাঁদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে দলের বারোটা বাজিয়ে চলেছেন বলে মনে করছেন দলেরই একাংশ। এইসব কারনেই বাগনান-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের একদা তৃণমূল দুর্গ বলে পরিচিত টে‌পুর রায়পাড়া, এনডি ব্লক, বাগনান পুরাতন বাজার, হিজলক, নবাসন-সহ বেশ কয়েকটি এলাকার মানুষ এখন শাসকদলের প্রতি তাঁদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন। আর ঠিক এই সুযোগটাকেই কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি।

এক সময় যাঁরা তৃণমূলের বাগনান নেতৃত্বের বশংবদ হিসাবে পরিচিত ছিলেন তাঁরাই রবিবার বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র হাত থেকে পদ্মফুলের ঝান্ডা তুলে নেন। এই সব বিষয় আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুব একটা প্রভাব না ফেললেও বিষয়গুলিকে হালকা ভাবে নিলে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন এবং ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে বাগনানের তৃণমূল নেতৃত্বকে বড় রকমের মূল্য চোকাতে হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।

[নয়া নিয়ম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে, স্নাতক স্তরে কমল ফেল করার ‘ভয়’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.