Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

কুড়িয়ে পাওয়া এটিএম কার্ডে টাকা তুলে গ্রেপ্তার স্ত্রী, অপমানে আত্মঘাতী স্বামী

কুড়িয়ে পাওয়া এটিএম ব্যবহার করে ৯৬ হাজার টাকা তুলেছিলেন ধৃত মহিলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ২০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২০, ২০:২৪

options
link
কুড়িয়ে পাওয়া এটিএম কার্ডে টাকা তুলে গ্রেপ্তার স্ত্রী, অপমানে আত্মঘাতী স্বামী zoom
ছবি: প্রতীকী

ধীমান রায়, কাটোয়া: কুড়িয়ে পাওয়া এটিএম কার্ড থেকে ৯৬ হাজার টাকা তুলে পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন স্ত্রী। ধৃত মহিলাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে ধৃতের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। এরপরই অপমানে আত্মঘাতী হলেন বধূর স্বামী। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। বৃহস্পতিবার দুপুরে পুর্ব বর্ধমান জেলার ভাতার থানার ভাতার গ্রামে বাড়ি থেকেই সুদেব মাজি(৪৭) ওরফে তনা নামে ওই ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহটি এদিনই ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

sudeb maji

Advertisement

ভাতার বাজারের সারদাপল্লির বাসিন্দা সনৎ পাঁজা মাসখানেক আগে ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। জানিয়েছিলেন, গত নভেম্বর মাসের ১২ – ১৩ তারিখ নাগাদ তার এটিএম কার্ডটি কোনওভাবে পকেট থেকে পড়ে যায়। পরে অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করে তিনি জানতে পারেন দেখেন তার আ্যকাউন্ট থেকে ৯৬ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। ভাতার থানার অভিযোগ দায়ের করা হলে শুরু হয় তদন্ত।

ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখে জানা যায়, ভাতার বাজারের একটি এটিএম থেকে ওই টাকা তিনটি ধাপে তুলে নেওয়া হয়েছে গত ১৪ থেকে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে। তারপর পুলিশ ওই এটিএমের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে। সেই ফুটেজ দেখে পুলিশ ভাতার বাজার সংলগ্ন কুলচন্ডা গ্রামের এক যুবককে চিহ্নিত করে। তাকে ওই নির্দিষ্ট সময়ে টাকা তুলতে দেখা যায়। সন্দেহভাজন যুবককে সোমবার রাতে পুলিশ ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে। যুবকটি জানায় তার বন্ধুর কাকিমা ভাতার গ্রামের বাসিন্দা পাপিয়া মাজি তাকে এটিএমের কার্ডটি দিয়ে টাকা তুলে দিতে অনুরোধ করাতে সে ওদিন টাকা তুলে দিয়েছে। পুলিশ পাপিয়া মাজিকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি স্বীকার করেন, কুড়িয়ে পাওয়া ওই এটিম থেকে তিনি তিন ধাপে ৯৬ হাজার টাকা তুলেছেন। তারপর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। আদালতে পাঠানো হলে ধৃত পাপিয়াদেবীকে তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরে বুধবার ধৃত মহিলাকে নিয়ে তার বাড়িতে ওই এটিএম কার্ডটি উদ্ধারের জন্য যায় পুলিশ। তখন ধৃত মহিলা জানান, তিনি টাকা তুলে নেওয়ার পর কার্ডটি বাড়ির পাশে পুকুরে ফেলে দিয়েছেন। পুকুরে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তা দেখতে ভিড় জমান স্থানীয়রা। পুলিশ বাড়িতে তল্লাশি চালানোর পর থেকেই ধৃতের স্বামী সুদেববাবু মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে পাশের এক প্রতিবেশীর নজরে পড়ে ঘরের মধ্যে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন সুদেববাবু। তাঁকে উদ্ধার করে ভাতার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, অপমানে আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি। 

ছবি:জয়ন্ত দাস।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.