সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নরেন্দ্রপুরে (Narendrapur) যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে কয়েকঘণ্টার মধ্যেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে পরকীয়া। অভিযুক্তের স্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছিল মৃত যুবক। সেই কারণেই এই পরিণতি।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার। ওইদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) নরেন্দ্রপুর থানার খেয়াদহ ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মৌলিহাটি এলাকায় মেলে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত দেহ। পাশেই ছিল একটি বাইক। খবর পেয়ে দেহ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ১২ ঘণ্টার মধ্যে দীনেশ লাল নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারীরা। তাকে জেরা করতেই প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত দীনেশের স্ত্রীর সঙ্গে পরিচয় ছিল মৃতের। পরবর্তীতে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। সুযোগ বুঝে ওই বধূর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ছবি তুলে রেখেছিল মৃত যুবক। যা দিয়ে বধূকে ব্ল্যকমেইল করত সে। একটা সময়ের পর ওই যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ করতে চায় দীনেশের স্ত্রী। সেই সময় সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘনিষ্ঠ ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে শুরু করে ওই যুবক।
[আরও পড়ুন: ধন্যি প্রযুক্তি! নবদ্বীপে যন্ত্রের মাধ্যমেই সরকারি জায়গা থেকে অক্ষত অবস্থায় সরল তিনতলা বাড়ি]
দীর্ঘদিন এভাবে চললেও, শেষে বাধ্য হয়ে স্বামী দীনেশকে গোটা ঘটনা জানায় ওই বধূ। এরপরই যুবককে খুনের ছক কষে অভিযুক্ত। সেই মতোই খুন করে বৃহস্পতিবার খেয়াদহে ফেলে যায় দেহ। পুলিশ জানিয়েছে, মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার পিছনে অন্য কারও যোগ রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতের স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলা হবে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
[আরও পড়ুন: বাড়ির দেওয়াল চাপা পড়ে মৃত শিশু-সহ ৩, দেহ উদ্ধারে গিয়ে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশ]
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক