শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: বাইকের রহস্য ফাঁস করতে গিয়ে বাড়ির উঠোন খুঁড়ে উদ্ধার যুবকের মৃতদেহ! বুধবারের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির ব্রক্ষ্মপুর গ্রামে। ফেরার সন্দেহভাজন দম্পতি। তাদের খোঁজে তল্লাশি চলছে।
এদিন সকালে ময়নাগুড়ির পদমতি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্রক্ষ্মপুরের পাহাড়পুর এলাকায় একটি বাইককে বাঁশ ঝাড়ে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। খবর দেয় পুলিশকে। তারা এসে আশপাশের বাড়িতে খোঁজ খবর নিতে গেলে সামনে আসে আরও এক রহস্যজনক ঘটনা। এক বৃদ্ধা দাবি করেন, মঙ্গলবার রাতে তাঁর বড় ছেলে পরিমল রায় জানায়, সে কাউকে খুন করে পুঁতে রেখেছে। এদিন সকালে সন্তানদের রেখে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ পরিমল, বয়স ৩৪ বছর ও তার স্ত্রী সঙ্গীতা রায়, বয়স ২৯ বছর। বৃদ্ধার কথার সূত্র ধরে পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে উঠোন খুঁড়তেই বেরিয়ে আসে যুবকের দেহ। পুলিশের সন্দেহ খুন করে পুঁতে রাখা হয়েছে যুবককে। পরিমল ও তার স্ত্রীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বাবলু রায় জানান, সকালে একটি বাইক উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশ আসে। আশপাশের বাড়িতে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখনই এক বৃদ্ধা পুলিশকে জানায় গতরাতে ছেলে একজনকে খুন করে মাটিতে পুঁতে রেখেছে বলে জানিয়েছিল। এদিন সকাল থেকে বৃদ্ধার ছেলে ও স্ত্রী রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যাওয়ায় পুলিশের সন্দেহ বাড়ে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) সমীর আহমেদ জানান, “বাড়ির উঠোনে সন্দেহজনক একটি একটি জায়গা চিহ্নিত করা হয়। বিকেলে সেটিকে খুঁড়তেই এক যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। যুবকের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।” শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। কি কারনে এই খুনের ঘটনা তা স্পষ্ট নয়। সন্দেহের তালিকায় থাকা দম্পতির খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
ম্যাচ শেষের আধঘণ্টার মধ্যে আমেরিকা ছাড়তে হবে ইরানকে! ফিফায় নালিশেও অনড় ট্রাম্প প্রশাসন
-
কবে স্বাক্ষর হবে ভারত-ইউরোপ বাণিজ্যচুক্তি? মুখ খুলল কেন্দ্র
-
তৃণমূল জমানার ‘গলদে’ই দিঘায় অ্যাডভেঞ্চার স্পোর্টসে দুর্ঘটনা! প্রশ্নের মুখে প্রশিক্ষকের যোগ্যতা
-
ছাগলের মুখে সেলোটেপ এঁটে চুরি! কালনার ‘গুণধর’ চোরের কাণ্ডে প্রাণ গেল পোষ্যর
-
বর্ষায় চোরাচালান রুখতে চিকেনস নেকের নদীতে বিশেষ বিএসএফের নজরদারি, বসল ‘আন্ডারওয়াটার সেন্সর’