২৯ শ্রাবণ  ১৪২৭  শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

লেগিংস বিতর্কের জেরে বন্ধ হয়ে গেল বোলপুরের স্কুল, কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে হুমকির অভিযোগ

Published by: Bishakha Pal |    Posted: November 22, 2019 4:25 pm|    Updated: November 22, 2019 8:44 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ছাত্রীদের লেগিংস খুলে নেওয়ার জন্য বিতর্কে জড়িয়েছিল বোলপুরের একটি বেসরকারি স্কুল। এবার সেই বিতর্কের জেরে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিল কর্তৃপক্ষ। তবে ঠিক এই কারণেই স্কুল বন্ধ হয়েছে কিনা, তা নিয়ে স্পষ্টভাবে কোনও মন্তব্য করেনি তারা। তবে অভিভাবকদের অভিযোগ, লেগিংস খুলে নেওয়ার কথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অভিভাবকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

গোটা ঘটনাটি নিয়ে শুক্রবার বিকেলে এসডিও অফিসে বৈঠক হয়। সেখানে অভিভাবকেরা বর্তমান অধ্যক্ষকে সরানোর দাবি তোলেন। কিন্তু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়, ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে না জানিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। প্রশাসনের তরফেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বৈঠকে যা আলোচনা হয়েছে, তা জেলাশাসকে লিখিত ভাবে জানানো হবে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর মহকুমা আধিকারিক অভ্র অধিকারী, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অভিষেক রায়, বিদ্যালয়ে পক্ষে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সিস্টার জেসি, কয়েক জন শিক্ষক শিক্ষিকা এবং ২০-২৫ জন অভিভাবক।

সোমবার পোশাক বিধির নামে ছাত্রীদের লেগিংস খুলে রাখার ঘটনা ঘটে বোলপুরের একটি নামী বেসরকারি স্কুলে। অভিযোগ, প্রিন্সিপ্যালের নির্দেশেই শাস্তির নামে ওই কো-এড স্কুলের কয়েকজন ছাত্রীকে লেগিংস খুলে ক্লাস করতে বাধ্য করা হয়। পোশাক বিধি নিয়ে বিতর্কের ঘটনায় অভিভাবকদের বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে বোলপুর-শান্তিনিকেতন। অভিভাবকরা শান্তিনিকেতন থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে ওসির উপস্থিতিতে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছিলেন প্রিন্সিপাল। 

[ আরও পড়ুন: বিজেপি করার ‘অপরাধ’, ধানে আগুন লাগানোর অভিযোগে কাঠগড়ায় তৃণমূল ]

তদন্তের স্বার্থে তড়িঘড়ি তিন সদস্যদের কমিটি গঠন করেন জেলাশাসক। তদন্তের জন্য বুধবার সেই কমিটির সদস্যরাই পৌঁছলেন বোলপুরের সেই বেসরকারি স্কুলে। জেলাশাসক মৌমিতা গোদারার তৈরি করা এই তদন্ত কমিটিতে রয়েছেন জেলা শিশু সুরক্ষা আধিকারিক নিরুপম সিনহা, চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারপার্সন শাশ্বতী সাহা। বুধবার তদন্তে গিয়ে প্রথমেই স্কুলের প্রিন্সিপালকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন কমিটির সদস্যরা। কথা বলেন স্কুলের একাধিক শ্রেণি শিক্ষিকার সঙ্গে। বিশেষ করে যাঁরা সোমবার স্কুলের বিভিন্ন ক্লাসের পড়ুয়াদের ‘শাস্তি’ হিসাবে লেগিংস খুলে ফেলতে বাধ্য করেছিলেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন কমিটির সদস্যরা।

[ আরও পড়ুন: লজ্জা! স্বাধীনতার ৭২ বছরেও বিদ্যুৎহীন বাংলার এই গ্রাম ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement