দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ফের প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। বাজার থেকে ফেরার পথে প্রকাশ্যে যুব তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমাবাজির ঘটনায় এবার নাম জড়াল তৃণমূলের অপর গোষ্ঠীর। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ের হাটপুকুরিয়া গ্রাম। ক্যানিং থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িতদের খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
[আরও পড়ুন:বনধ ঘিরে ফের রণক্ষেত্র বারাকপুর, সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে মাথা ফাটল পুলিশ আধিকারিকের]
জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যায় কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন বাবলু সরদার নামে ওই যুব তৃণমূল কর্মী। অভিযোগ, সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে দুটি বোমা ছোঁড়া হয়। বোমার তীব্রতায় আহত হন বাবলু। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে ঘটনাস্থলে যায় ক্যানিং থানার পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পর স্বাভাবিক হয় পরিস্থিতি। পুলিশ আধিকারিকরাই হাসপাতালে নিয়ে যান আহত বাবলুকে। এবিষয়ে ক্যানিং ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল যুব সভাপতি পরেশরাম দাস জানান, বাবলু তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী। তিনি এলাকার একটি খুনের ঘটনার মূল সাক্ষীও। সেই কারণেই প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই বাবলুকে খুনের চক্রান্ত করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। সেইসঙ্গে দোষীদের শাস্তির দাবিও জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে হাটপুকুরিয়া গ্রামে খুন হন যুব তৃণমূল কর্মী নাজিরউদ্দিন সরদার। ওই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল তৃণমূলের একটি গোষ্ঠীর সদস্য সিরাজ ঘরামির। ঘটনার পর বেশ কিছুদিন এলাকায় ছাড়া ছিলেন সিরাজ ঘরামি। জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে বাড়ি ফিরেছে সে। তার কয়েকদিনের ব্যবধানে বাবলুকে আক্রমণের ঘটনায় সিরাজেরই যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ আহত তৃণমূলকর্মীর। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কী কারণে এই ঘটনা তা জানতে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে তদন্তকারীরা।