৫ ভাদ্র  ১৪২৬  শুক্রবার ২৩ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: ফের যেন বারুদের স্তূপে বীরভূম৷ জেলাজুড়ে চলছে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ, অস্ত্র উদ্ধার অভিযান৷ কিন্তু তার মাঝেই মঙ্গলবার এবং বুধবার – দু’দিনে বীরভূম জেলার বিভিন্ন এলাকা উত্তপ্ত হয়ে উঠল দুষ্কৃতী তাণ্ডবে৷ বুধবার সকালে সদাইপুর থানার এলাকার সাহাপুরে পুলিশের সামনেই চলল বোমাবাজি৷ উদ্ধার হচ্ছে ড্রামের পর ড্রাম বোমা, কয়েক হাজার কেজি বিস্ফোরক৷

[আরও পড়ুন: ‘হিন্দুরা অনেক মরেছে, আরও কিছু মরুক!’ ফের বেফাঁস মন্তব্য দিলীপ ঘোষের]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে কাটমানি ফেরত চাওয়া ঘিরে অশান্তি শুরু হয় সদাইপুরের সাহাপুরে৷ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাতেই পুলিশের সামনে বোমাবাজি শুরু হয়৷ আতঙ্কে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় বিক্ষোভকারীরা৷ আর তারপর আরও দাপট দেখাতে থাকে দুষ্কৃতীরা৷ বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা এনামুল শেখের বিরুদ্ধে৷ এনিয়ে সকাল থেকেই গ্রামে আতঙ্কের পরিবেশ৷ নেমেছে ব়্যাফও৷

এদিন সকালে নানুর, পাড়ুইয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে বোমা৷ নানুরের বন্দর এলাকার একটি খামার পিছনে থেকে ৪ ড্রাম বোমা উদ্ধার হয়েছে, সংখ্যায় যা প্রায় ১০০টি৷ আরেকদিকে পাড়ুইয়ের শিমুলিয়ায় মিলেছে ৩ ড্রাম বোমা৷ আরেকদিকে, মঙ্গলবার সন্ধেবেলা সিউড়ির গোপালপুর গ্রামে মজুত করা বালির ভিতর থেকে ২৫টি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ রাতের দিকে রামপুরহাটের রদিপুর-কামরাডাঙাতেও প্রচুর বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে৷ পুলিশ সূত্রে খবর, প্রায় ১২০০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, কয়েক হাজার জিলেটিন স্টিক, ডিটোনেটর পাওয়া গিয়েছে৷ তবে পুলিশের অনুমান, স্থানীয় পাথর খাদানে বিস্ফোরণের জন্য নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব মজুত করা হচ্ছিল৷

[আরও পড়ুন: হাতি তাড়ানো অভিযানে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, হাইটেনশন তারের ছোবলে মৃত ৩ দাঁতাল]

গত দু’দিন ধরে জেলাজুড়ে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ, অস্ত্রবিরোধী অভিযান চালিয়েছে পুলিশ৷ তাতে সবমিলিয়ে ৪০০টিরও বেশি বোমা উদ্ধার হয়েছে৷ গ্রেপ্তার হয়েছে শ চারেক অভিযুক্ত৷ কিন্তু তারপরও যেন কিছুতেই বাগে আনা যাচ্ছে না দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য৷ বুধবার সাতসকালে সাহাপুরে পুলিশের সামনেই এমন বোমাবাজির ঘটনায় স্থানীয়রা বলছেন, গোপনে রাখা বোমাকে হাতিয়ার করেই দাপট দেখাচ্ছে দুষ্কৃতীরা৷ আর সেটাই বীরভূম পুলিশ প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ চওড়া করছে৷

ছবি: শান্তনু দাস৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং