Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

সাহিত্য মেলার মঞ্চে চটুল নাচ, বিভূতি স্মরণে অপসংস্কৃতির নজির বনগাঁয়

একে বাংলা সাহিত্যের কালোদিন বলছেন সাহিত্যিকরা৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ২০:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ২০:৩৯

options
link
সাহিত্য মেলার মঞ্চে চটুল নাচ, বিভূতি স্মরণে অপসংস্কৃতির নজির বনগাঁয় zoom
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা, বনগাঁ: অমর কথা সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতি-বিজড়িত এলাকায় তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে সেজে উঠেছিল সাহিত্য মেলা। অথচ সেই স্মৃতি মঞ্চেই সাহিত্যিককে ভুলে আয়োজিত হল যুবতীদের চটুল নাচ! নাচের তালে দর্শকাসনে কোমর দোলালো এলাকার মদ্যপরা। সাহিত্য মেলায় এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিভূতি সাহিত্যপ্রেমীরা। অনেকেই বলছেন, এটি বাংলা সাহিত্যের জন্য অত্যন্ত লজ্জার এবং কালোদিন৷

[আরও পড়ুন: বিজেপিতে মোহভঙ্গ, ৬ সদস্য ঘরে ফেরায় বাঁকুড়ার কল্যাণী গ্রাম পঞ্চায়েত পুনরুদ্ধার তৃণমূলের]

Advertisement

সূত্রের খবর, গোপালনগর থানার শ্রীপল্লি এলাকায় রয়েছে বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি। এই বাড়িতে কাটিয়েছেন স্কুলজীবন। রচনা করেছেন বহু সাহিত্যও।গোপালনগর হরিপদ ইন্সটিটিউশনে শিক্ষকতাও করতে যেতেন এই বাড়ি থেকেই। সেই কারণে বাঙালি সাহিত্য প্রেমীদের কাছে বনগাঁর শ্রীপল্লি এলাকা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বিভূতিভূষণের জন্মদিন উপলক্ষে গত ২৩ বছর ধরে শ্রীপল্লির মাঠে আয়োজিত হয় বিভূতিভূষণ সাহিত্য মেলা ও লোকসংস্কৃতি উৎসব। মেলাকে কেন্দ্র করে জেলা ও রাজ্য থেকে বহু সাহিত্যপ্রেমীরা আসেন এখানে। বিভূতিভূষণ নামাঙ্কিত মঞ্চে চলে বিভূতি সাহিত্য-আলোচনা, বাউল গান-সহ বাংলার নানা প্রাচীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মেলাকে কেন্দ্র করে মাঠে বসে বিভিন্ন দোকান। বহু মানুষের সমাগম হয় এখানে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন এবার মেলাটি ২৪ বছরে পড়ল। দীর্ঘদিন মেলাটির দায়িত্ব সামলেছেন প্রাক্তন বিধায়ক পঙ্কজ ঘোষ এবং বর্তমান বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসের। এবার ওই মেলাটির কমিটির বদল হয়েছে। নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছেন স্থানীয় সৌমেন দত্ত, ইয়ান আলি মণ্ডল, অশোক হালদাররা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

[আরও পড়ুন: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে বেসিক পে বৃদ্ধি]

প্রত্যক্ষদর্শী দুই বিভূতিপ্রেমী যুবকের কথায়, প্রতি বছরের মতো এবারও তাঁরা মেলায় হাজির হয়েছিলেন। মঞ্চের অনুষ্ঠান উপভোগও করছিলেন। রাত ন’টা নাগাদ হঠাৎই ছোট পোশাকে যুবতীরা চটুল নাচ শুরু করে। তা দেখতে ছুটে আসে মদ্যপ যুবকরা। মোবাইল উঁচিয়ে ভিডিও করতে থাকে তারা। সেই নাচে তালও মেলাতে থাকে। চটুল নাচের অনুষ্ঠান চলে বেশ কয়েক ঘণ্টা। বিভূতি মঞ্চে চটুল নাচের খবর পেয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সাহিত্যপ্রেমীরা। এক সাহিত্যিকের কথায়, বিভূতিভূষণের গ্রামকেই কলঙ্কিত করলেন মেলা কমিটির লোকেরা। বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “বনগাঁর ভূমিপুত্র ‘পথের পাঁচালী’র স্রষ্টা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিবিজড়িত এলাকায় তাঁর জন্মদিনে চটুল নাচ আমাদের কাছে লজ্জার। কিছু মানুষ দায়িত্ব নিয়ে মেলাটিকে কলুষিত করল।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.