Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Chickens neck

তিন দিক থেকে ঘিরছে চিকেনস নেক, এবার নিরাপত্তায় ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস

প্রতি ঘাঁটিতে অন্তত আটশো জওয়ান থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ১৬:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২৫, ১৬:৫৩

options
link
তিন দিক থেকে ঘিরছে চিকেনস নেক, এবার নিরাপত্তায় ক্ষেপণাস্ত্র ব্রহ্মস zoom

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য, শিলিগুড়ি: কড়া নিরাপত্তার বলয়ে চিকেনস নেক অর্থাৎ শিলিগুড়ি করিডর। বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং অসম-তিন দিক থেকে ঘিরে ফেলা হয়েছে ওই স্পর্শকাতর এলাকা। গড়ে তোলা হয়েছে সামরিক ঘাঁটি। সামরিক বাহিনীর তিনটি ছাউনিতে প্যারা স্পেশাল ফোর্স, গোয়েন্দা ইউনিট ও আরডিএফ বাহিনী মোতায়েন করছে সেনা। রাখা হয়েছে রাফাল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করিডর চিকেনস নেক। প্রায় ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডর জুড়েছে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যেকে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে জুড়েছে। এই করিডরেই নজর চিনের। সম্প্রতি চিকেনস নেক নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এরপরই শিলিগুড়ি করিডোর শক্তিশালী করতে তিনটি সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে ভারত। বিহারের কিষানগঞ্জ, পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এবং অসমের ধুবড়িতে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর ওই ঘাঁটিগুলো স্থাপন করা হয়েছে। এক একটি ঘাঁটিতে অন্তত আটশো জওয়ান থাকবে বলে গোয়েন্দা সূত্রের খবর।

Advertisement

Brahmos missile now in service in Chicken's Neck

জানা গিয়েছে, শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে প্যারা স্পেশাল ফোর্স, গোয়েন্দা ইউনিট ও আরডিএফ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। চিকেনস নেক থেকে ধুবড়ির দূরত্ব প্রায় ২৪০ কিলোমিটার, চোপড়া থেকে ৫২ কিলোমিটার এবং কিষাণগঞ্জ থেকে প্রায় ১৮০ কিলোমিটার। চোপড়া সামরিক ঘাঁটি বাংলাদেশ সীমন্ত থেকে এক এক কিলোমিটারেরও কম দূরে অবস্থিত। ফলে এখান থেকে প্রতিবেশী দেশটির উপরে নজরদারি সহজ। জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে ঢাকা ক্রমশ পাকিস্তান ও চিনের বিদেশনীতির দিকে ঝুঁকেছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সূত্রের খবর, বাংলাদেশ ২.২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের চিনা জে ১০সি যুদ্ধবিমান কিনছে। ড্রোন তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশকে পাকিস্তান জেএফ ১৭ ব্লক সি থান্ডার জেট বিমান সরবরাহ করেছে।

বাংলাদেশের বিদেশ নীতির এই পরিবর্তন ভারতের পক্ষে যথেষ্ট চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই কারণে চিকেনস নেকের নিরাপত্তা জোরদার করার সিদ্ধান্ত। এই করিডরের উপরে নির্ভরশীল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্যের ৪ কোটি ৫০ লক্ষেরও বেশির মানুষের নিরাপত্তা। চিকেনস নেকের হামলা হলে দ্রুত সেনা-সমরাস্ত্র জোগানের প্রয়োজনে তিনটি ঘাঁটি কাজ করবে। এখানে রয়েছে রাফাল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র এবং উন্নত বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। তাই শত্রুদের হামলা প্রতিরোধ করতে বেগ পেতে হবে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.