অংশুপ্রতিম পাল, খড়গপুর: বিয়ের দুই মাসের মধ্যে গৃহবধূর রহস্যমৃত্যু! ঘর থেকে উদ্ধার ঝুলন্তদেহ। পরিবারের অভিযোগ অতিরিক্ত পণের দাবিতে তাঁদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে। ঘটনায় যুবতীর স্বামী ও শ্বশুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি দাঁতনের ২ ব্লকের তুরকা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের। বিষয়টি সামনে আসতে চাঞ্চল্য এলাকায়।
মৃত গৃহবধূর নাম সুপ্রিয়া দে পট্টনায়েক। দুই মাস আগে কেশিয়াড়ি থানার বরামারা গ্ৰামের সুপ্রিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয় তুরকা গ্ৰাম পঞ্চায়েতের রাধাবল্লভপুর গ্ৰামের যুগল পট্টনায়েকের। বুধবার দুপুরে ২৪ বছরের গৃহবধূ সুপ্রিয়া দে পট্টনায়েকের ঝুলন্ত দেহ শ্বশুরবাড়ি থেকে উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে বাপের বাড়ির লোক রাধাবল্লভপুর পৌঁছে যান। গৃহবধুর বাবা হরগোবিন্দ দে থানায় মেয়েকে খুনের অভিযোগ তোলেন। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই বুধবার রাতেই পুলিশ মৃত গৃহবধুর স্বামী যুগল ও শ্বশুর অশ্বিনী পট্টনায়েককে গ্ৰেপ্তার করে। তবে সুপ্রিয়ার মৃত্যুর কারণ ঘিরে ধোঁয়াশা রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে।
সুপ্রিয়ার বাপের বাড়ির অভিযোগ, বিয়ের পর থেকে তাঁদের মেয়ের উপর আরও পণের জন্য অত্যাচার চালাতেন শ্বশুরবাড়ির লোকরা। স্বামী সবটাই জেনেও কিছু বলতেন না। এমনকী তিনিও অত্যাচার করতেন। পুলিশ জানিয়েছে অভিযোগের ভিত্তিতে দু’জনকে গ্ৰেপ্তার করা হয়েছে। তবে মৃত গৃহবধূর শাশুড়ি এখনও পলাতক। বৃহস্পতিবার ধৃতদের দাঁতন এসিজেএম আদালতে হাজির করা হয়। সওয়াল-জবাব শুনে বিচারক স্বামী যুগলের ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। শ্বশুর অশ্বিনী পট্টনায়েকের ১৪ দিনের নির্দেশ দিয়েছেন।
সর্বশেষ খবর
-
‘রবি ঠাকুর বন্দে মাতরম গান লিখে বঙ্গভঙ্গ রদ করেছিলেন’, দিলীপের মন্তব্যে নয়া বিতর্ক
-
ফের বঙ্গোপসাগরে চোখ রাঙাচ্ছে নিম্নচাপ, জারি হলুদ সতর্কতা, ভারী বৃষ্টি কলকাতায়?
-
মর্গে জায়গা নেই, ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ, শ’য়ে শ’য়ে নামগোত্রহীন দেহ কবর দিচ্ছে নেপাল! মৃতের সংখ্যা কত?
-
শুধু মুসলিম মহিলাদের বিনামূল্যে শিক্ষা, আলাদা কলেজ! বিজয়ের ঘোষণায় বিতর্ক
-
পাহাড় থেকে নেমে আসছিল মৃত্যু! চালকের সতর্কতায় বাঁচল প্রাণ, নেপাল থেকে ফিরলেন বসিরহাটের দম্পতি