Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

খেলনা ভেবে মেয়ের হাতে আসল বন্দুক তুলে দিয়ে গুলিবিদ্ধ মা

জেরা মহিলার স্বামীকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৮, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০১৮, ২১:৩৫

options
link
খেলনা ভেবে মেয়ের হাতে আসল বন্দুক তুলে দিয়ে গুলিবিদ্ধ মা zoom

দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: মেয়ের হাত থেকে বন্দুকের গুলি ছিটকে জখম মা। খেলনা ভেবে জমি থেকে কুড়িয়ে মেযের হাতে বন্দুক দেন মা। হুগলির খানাকুলের রঘুনাথপুরের ঘটনা। গুলিবিদ্ধ ওই মহিলা আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভরতি। তাঁর স্বামীকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে খানাকুল থানার পুলিশের।

রবিবার সকালে জমিতে বাদাম কুড়োতে যান রঘুনাথপুরের বাসিন্দা গৃহবধূ কাকলি জানা। ক্ষেতের মাঝে একটি বন্দুক পান তিনি। খেলনা ভেবে তা মেযের হাতে দেন। খেলার সময় আচমকাই বন্দুক থেকে গুলি ছিটকে যায়। মেয়ের হাতে থাকা বন্দুকের গুলি ওই গৃহবধূর পিঠে লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয় পড়েন কাকলি। তড়িঘড়ি আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় গৃহবধূকে। অবস্থা স্থিতিশীল তাঁর, দাবি চিকিৎসকদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[অজগরের সঙ্গে সেলফির আবদার বাসিন্দাদের, মরতে মরতে বাঁচলেন বনকর্তা]

এদিকে, এই ঘটনার সময় স্থানীয় ঘোষপুর বাজারে গিয়েছিলেন মধুমিতার স্বামী। প্রতিবেশীদের মুখেই স্ত্রীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা জানতে পারেন তিনি।

 

[ভরদুপুরে গুলি চলল কামারহাটিতে, গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবকের মৃত্যু]

এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্নের ভিড়। ক্ষেতের মাঝে কীভাবে বন্দুক এল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বন্দুকটি আসল কি না, তা না দেখে নিজের সন্তানের হাতে কেন বন্দুক তুলে দিলেন মা, তাও ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। গুলি আদৌ শিশু চালিয়েছে নাকি পুরো ঘটনাটি সাজানো তাও খতিয়ে দেখছে খানাকুল থানার পুলিশ। ঘটনার কিনারায় গৃহবধূর স্বামী বাবলু জানাকে আটক করে জেরা তদন্তকারীদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.