Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Burdwan

রক্ত ‘বদল’ কাণ্ডে বর্ধমান মেডিক্যালে মৃত্যু রোগীর, খতিয়ে দেখার আশ্বাস সুপারের

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃত মহিলার ছেলে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৫, ১৪:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০২৫, ১৪:৫১

options
link
রক্ত ‘বদল’ কাণ্ডে বর্ধমান মেডিক্যালে মৃত্যু রোগীর, খতিয়ে দেখার আশ্বাস সুপারের zoom
ফাইল ছবি

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: এই মাসের শুরুতেই ভুল চিকিৎসার অভিযোগ ওঠে বর্ধমানে। বর্ধমানের সরকারি হসপাতালে এই ভয়াবহ অভিযোগ সামনে আসে। একজনের প্রয়োজনের রক্ত দিয়ে দেওয়া হয় অন্যজনকে। জানা গিয়েছে, সেই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ওই রোগীর। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃত মহিলার ছেলে।

বর্ধমান হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নমিতা মাঝির পরিবার অভিযোগ তোলে তাঁর জন্য আনা রক্ত নমিতা বাগদীর শরীরে দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, নমিতা বাগদীকে রক্ত দেওয়ার শুরু হতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে আইসিইউ-তে স্থানান্তরিত করা হয়। যদিও শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

Advertisement

এই ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃত নমিতা বাগদীর ছেলে রাহুল বাগদী। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলেও জানা গিয়েছে। হাসপাতালের সুপার জানিয়েছেন, এই অভিযোগের তদন্ত করা হবে। যদিও, আগের অভিযোগের সময় তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর কাছে এই ঘটনা সম্পর্কে কোনও অভিযোগ আসেনি। তিনি আশ্বাস দেন অভিযোগ পেলে আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের বাসিন্দা নমিতা মাঝিকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ৫৩ বছরের নমিতা রক্তাল্পতার রোগী। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। ওই নিউ বিল্ডিং-এ একই জায়গায় নমিতা বাগদী নামের আরও একজন রোগী ভর্তি ছিলেন। নমিতা মাঝির পরিবারের দাবি, তাঁদের দু’টি কাগজ দিয়ে ব্ল্যাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত আনতে বলা হয়। নমিতা মাঝির ছেলে সঞ্জিত মাঝির দাবি, “সেই রক্ত নমিতা মাঝির বদলে নমিতা বাগদি নামে অন্য একজনকে দেওয়া হয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.