Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

আউশগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টাই করা হয়নি, রায় পকসো আদালতের

চাঞ্চল্য! আদালতের গোপন জবানবন্দিতে সাক্ষ্য বদল কিশোরীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০১৮, ১০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৬, ২০১৮, ১০:৫৭

options
link
আউশগ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টাই করা হয়নি, রায় পকসো আদালতের zoom

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: এ যেন, ছিল রুমাল হয়ে গেল বিড়াল। আদালতে মামলা শুরু হয়েছিল গণধর্ষণের। বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার সময় পুলিশকে দেওয়া বয়ানের ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে যায় ‘নির্যাতিতা’ কিশোরী। আদালতও বুধবার জানিয়ে দেয়,  ওই কিশোরীকে আদৌ ধর্ষণ করা হয়নি। এমনকী,  ধর্ষণের চেষ্টাও করা হয়নি বলে জানিয়েছেন বিচারক। ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিতে চাওয়ার আবেদন,  দুই প্রত্যক্ষদর্শীর গোপন জবানবন্দি দেওয়ার আবেদনও খারিজ করেছে বর্ধমানের পকসো আদালত। পাশাপাশি,  ধৃতদের জামিনও মঞ্জুর করেছেন বিচারক।

[৫ বছরের নাতনিকে যৌন নির্যাতন করতেন ঠাকুমা! শিশুর যৌনাঙ্গে মিলল কন্ডোম]

বাংলা নববর্যের রাতে আউশগ্রাম থানার যাদবগঞ্জের চড়কের মেলা থেকে ওই কিশোরীকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল জেলায়। বর্ধমানের বড় কাশিয়াডার বাসিন্দা ওই কিশোরী পুলিশকে জানিয়েছিল, মেলায় বন্ধুদের থেকে সে আলাদা হয়ে যায়। দুই যুবক তাকে যাদুগড়িয়ায় এক আত্মীয়র বাড়ি পৌঁছে দেবে বলে বাইকে চাপায়। তার পর জঙ্গলের ভিতর একটি পুকুর পাড়ে তাকে ধর্ষণ করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ জহর বাস্কে ও গুপিন সোরেনকে গ্রেপ্তার করে। কিশোরী টিআই প্যারেডে তাদের শনাক্তও করে। এরপরই ঘটে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। আদালতে বিচারকের কাছে গোপন জবানবন্দি দেওয়ার সময় পুরো উলটো কথা বলে কিশোরী। তার বয়ানের ভিত্তিতে বর্ধমানের পকসো আদালতের বিচারক পার্থপ্রতিম দত্ত জানিয়ে দেন, ওই কিশোরীকে আদৌ ধর্ষণ করা হয়নি। আদালতে জবানবন্দিতে ওই কিশোরী জানিয়েছে,  তাকে আদৌ ধর্ষণ করা হয়নি। ওই যুবকরা হিন্দিতে কথা বলছিল। তাতে সে ভয় পেয়েছিল। তখন ওই দুই যুবক তাকে বাইক থেকে নামিয়ে দেয়। বিচারক ঘটনায় ধৃত জহর বাস্কে ও গুপিন সোরেনের জামিন মঞ্জুর করে জানিয়েছেন,  অভিযুক্তদের কোনও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল না। তারা ইচ্ছা করলে কিশোরীকে তুলে নিয়ে যেতে পারত। কিন্তু তারা তা করেনি। বরং তারা বাইক থেকে নামিয়ে দিয়েছে। ধর্ষণের কোনও চেষ্টা ধৃতরা করেনি। এমনটাই জানিয়েছেন পকসো আদালতের বিচারক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আইনজীবীর উপর হামলার প্রতিবাদে কর্মবিরতিতে রামপুরহাট বার অ্যাসোসিয়েশন]

এই মামলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক। ডিএসপি পদমর্যাদার এক পুলিশ অফিসার তাঁকে সাতবার ফোন করে ধৃতদের পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করার জন্য। পুলিশ কর্তার এই আচরণ আইনবিরুদ্ধ বলেও বিচারক রায়ে জানান। পাশাপাশি সংবাদপত্রেরও সমালোচনা করেছেন বিচারক। তিনি জানিয়েছেন,  কোনও সংবাদ পরিবেশনের আগে আরও দায়িত্বশীল ও তথ্যনিষ্ঠ হওয়া উচিত। আদালতের এই রায়ে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আইনজীবী মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আইনজীবীরা জানাচ্ছেন, এই বয়ান বদল খুবই চিন্তার বিষয়। পুলিশের কাছে দেওয়া বয়ান আদালতে যেভাবে বদল করেছে ওই কিশোরী তা খুবই বিস্ময়কর।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.