Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

দুধের শিশুকে আছড়ে মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের, কারণ ঘিরে জল্পনা

সকালে স্বামীর সঙ্গে সামান্য কথা কাটাকাটি হয়েছিল গৃহবধূর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০১৮, ২১:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১২, ২০১৮, ২১:০৮

options
link
দুধের শিশুকে আছড়ে মেরে আত্মহত্যার চেষ্টা মায়ের, কারণ ঘিরে জল্পনা zoom

ধীমান রায়, কাটোয়া: আট মাসের শিশুকন্যাকে আছড়ে মেরে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করলেন মা। এমনটাই অভিযোগ উঠল। গলায় ফাঁস দেওয়ার পর দড়ি ছিঁড়ে যাওয়ায় শেষপর্যন্ত বেঁচে যান ওই গৃহবধূ। তাঁর নাম সুপ্রিয়া বাগদি। ঘটনাস্থল পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বাগদিপাড়া। গলায় ভালরকম আঘাত লাগায় সুপ্রিয়াদেবীকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। তবে কী কারণে নিজের সন্তানকে খুন করে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তা নিয়ে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত শিশুটির নাম সুমনা বাগদি (আট মাস)। এনিয়ে নির্দিষ্টভাবে অভিযোগ দায়ের হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, শিশুটিকে তার মা খুন করেছে। আবার স্থানীয়দের একাংশের দাবি মায়ের কোল থেকে পড়েই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। আউশগ্রাম থানার আই সি সুজিত পতি বলেন, ‘ময়নাতদন্তের রির্পোট ছাড়া বাচ্চাটির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছু বলা সম্ভব নয়। সুপ্রিয়া বাগদিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।’

[আবাসিক ছাত্রীদের যৌন নিগ্রহের অভিযোগ, গ্রেপ্তার মালিক ও শিক্ষিকা]

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, আউশগ্রামের বাগদিপাড়াতেই সুপ্রিয়াদেবীর শ্বশুরবাড়ি। তাঁর স্বামী ভীষ্ম বাগদি পেশায় জনমজুর। বাড়িতে শ্বশুর, শ্বাশুড়ি, স্বামী ও আট মাসের মেয়েকে নিয়েই সংসার সুপ্রিয়াদেবীর। পাড়াতেই এক বয়স্ক ব্যক্তির মৃত্যু হওয়ায় সেখানে যান ভীষ্ম ও তাঁর বাবা মা। সেখান থেকে তাঁরা কাজে চলে যান। নিজেদের মাঠান জমিতে বোরো চাষ হয়েছিল। বাবা মায়ের সঙ্গে ভীষ্ম নিজেও ধান কাটার কাজে গিয়েছিলেন। বাড়িতে মেয়েকে নিয়ে ছিলেন সুপ্রিয়া। সকাল ৯.৩০টা নাগাদ রান্নাঘরে উনানে ভাত চড়িয়ে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেন সুপ্রিয়া। পাড়ারই বাচ্চারা খেলতে খেলতেই দেখতে পায় গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন ওই গহবধূ। তারাই চিৎকার করে লোকজন ডাকে। প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই দড়ি ছিড়ে পড়ে যান সুপ্রিয়া। প্রতিবেশীতা ততক্ষণে নিথর সুমনাকে দেখতে পেয়েছেন। এরইমধ্যে জ্ঞান হারিয়েছেন সুপ্রিয়াদেবী। স্থানীয়রা দু’জনকেই হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা সুমনাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সুপ্রিয়াদেবীকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বননবগ্রাম হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে আসার পর সুপ্রিয়াদেবী নিজেই কাঁদতে কাঁদতে জানান মেয়েকে তিনি খুন করেছেন। তবে ঘটনার পর তীব্র অনুশোচনায় ডুবে যান। তাই আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[কর্মী আবাসনে নার্সের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য]

সকালে প্রতিবেশীদের বাড়িতে মৃত্যুর খবর পেয়ে ভীষ্ম বাগদি মেয়েকে কোলে করে সেখানে যাচ্ছিলেন। মৃতর বাড়িতে মেয়েকে নিয়ে যেতে নিষেধ করেন সুপ্রিয়া। এনিয়ে স্বামী স্ত্রীর ঝগড়াও হয়। যদিও তারপর ভীষ্ম কাজে চলে গিয়েছিলেন। স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার জেরেই রাগের বশে মেয়েকে মেরে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলেন তিনি। প্রাথমিকভাবে এটাই জানতে পেরেছেন স্থানীয়রা। যদিও শনিবার বিকেল পর্যন্ত থানায় অভিযোগ দায়ের হয়নি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.