সৌরভ মাজি, বর্ধমান: পুরসভার পাইপলাইনের ঘোলা জল৷ সঙ্গে কিলবিল করছে কেঁচো৷ পুরসভার দেওয়া পানীয় জলের মধ্যে থেকে কেঁচো উদ্ধারের ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমান শহরের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে৷
[গাড়ি আটক করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ, উত্তাল রামপুরহাট]
অভিযোগ, মুচিপাড়া, পাকমারা গলি এলাকায় বুধবার বিকেলে ট্যাপকলের জলের সঙ্গে কেঁচো বেরতে শুরু করে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বাসিন্দারা। তবে এদিন সকাল থেকেই ঘোলা জল বেরিয়েছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। সেই জল ব্যবহার করে অসুস্থ হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। স্থানীয় মহিলা মিনা মুখোপাধ্যায়, আমিনা বিবিরা জানান, জল খেয়ে গা-হাতপায়ে চুলকানি হচ্ছে। এদিন বিকেলে কেঁচোও বেরিয়েছে। যদিও এই বিষয়টি জানেনই না পুরসভার পানীয় জল সরবরাহের ভারপ্রাপ্ত কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম। তিনি জানান, পুরসভার তরফে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার সকালের মধ্যে পাইপলাইন মেরামত করে পরিস্রুত জল দেওয়া হবে বাসিন্দাদের। পাইপলাইন কোনওভাবে বর্ষার কারণে লিক হয়ে এমনটা ঘটেছে বলে মনে করছেন তিনি৷
[বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ চন্দন মিত্র, দেখা যাবে ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে?]
তবে, পুরসভার পাইপলাইনের মাধ্যমে সরবরাহ করা জলেই যদি এই অবস্থা হয়ে থাকে, তাহলে দাম দিয়ে জল কিনে খেতে হবে স্থানীয়দের৷ বাসিন্দাদের অভিযোগ, এমনিতেই পুরসভার দেওয়া জল জামা-কাপড় কাচার কাজ ছাড়া আর কিছুই করা যায় না৷ মারাত্মক আয়রন ও ঘোলা জলের কারণে বাড়ির অন্যান্য কাজেও এই জল ব্যবহার করেন না স্থানীয়রা৷ বাসিন্দাদের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকা খরচ করে জল প্রকল্প নির্মাণ করা হল, তাহলে কেন রক্ষণাবেক্ষণের কাজে গুরুত্ব দিচ্ছে না পুরসভা? কেন, স্থানীয় কাউন্সিলরা এই বিষয়ে পুরসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন না? স্থানীয়দের দাবি, অবিলম্বে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিক পুরসভা৷
[মহম্মদবাজারে তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু, উদ্ধার বস্তাবন্দি রক্তাক্ত দেহ]
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার