BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

২৯ আগস্ট বাস ধর্মঘট রুখতে আসরে শুভেন্দু

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 17, 2016 10:25 am|    Updated: August 17, 2016 10:25 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: কেন্দ্রের মোটর ভেহিক্যালস সংশোধনী বিলে আপত্তি তুলে এবার ধর্মঘট ডাকলেন বেসরকারি বাস এবং স্কুলবাস মালিকরা৷ আগামী ২৯ আগস্ট সোমবার রাজ্যজুড়ে বাস-মিনিবাস এবং স্কুলবাস ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে৷ যদিও পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এখনই ধর্মঘট করার কোনও যৌক্তিকতা নেই৷ কেন্দ্রের সংশোধনী বিলের অনেকগুলো অংশই আমরা মানি না৷ তৃণমূলের প্রতিবাদেই তো ওই বিল সিলেক্ট কমিটিতে গিয়েছে৷ আমি বাস মালিকদের ডেকে কথা বলব৷ আশা করছি এই ধর্মঘট হবে না৷”

বাস মালিকদের দাবি, ধর্মঘটের দিন রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি বাস রাস্তায় নামবে না৷ নামবে না কয়েক হাজার স্কুল বাসও৷ তাঁদের দাবি, যেভাবে কেন্দ্রীয় সরকার মোটর ভেহিক্যালস সংক্রান্ত সংশোধনী বিল আনছে, তাতে পরিবহণ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে৷ কেউ এই সেক্টরে আসতে চাইবেন না৷ যান শাসনের কথা বলে সরকার আসলে রাজস্ব আদায়ের চেষ্টা করছে, তারই প্রতিবাদে এই ধর্মঘট৷ কেন্দ্রের এই বিল যদি পাস হয়, সেক্ষেত্রে পরিবহণ শ্রমিক পাওয়া যাবে না৷ যেভাবে ১০০ টাকার ফাইন ১০০০ টাকা, ১০০০ টাকার ফাইন ১০০০০ টাকা করা হয়েছে, তাতে এই ব্যবসা টিকিয়ে রাখাই দায় হয়ে দাঁড়াবে৷ তাই বাধ্য হয়েই এই ধর্মঘট৷

দেশজুড়ে পথদুর্ঘটনার সংখ্যা কমাতে কেন্দ্রের তরফে মোটর ভেহিক্যালসের সংশোধনী বিল আনা হচ্ছে৷ ইতিমধ্যেই লোকসভায় পেশ হয়েছে ‘দ্য মোটর ভেহিক্যালস (অ্যামেন্ডমেণ্ট) বিল, ২০১৬’৷ সেই বিলেই পথদুর্ঘটনার ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ বহুগুণ বাড়নো হয়েছে৷ পথ দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে৷ গাড়ি চাপা দিয়ে পালিয়ে গেলে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণের প্রস্তাবও সেখানে রয়েছে৷ আর তাতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন বাসমালিকরা৷ তাঁদের দাবি, এই বিলে যে হারে জরিমানা ধার্য হয়েছে, তাতে রাস্তায় গাড়ি নামানোই আতঙ্কের হয়ে দাঁড়াবে৷ তাই আন্দোলনের রাস্তায় হাঁটা ছাড়া উপায় নেই৷

জয়েন্ট কাউন্সিল অফ বাস সিন্ডিকেটের যুগ্ম সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কেন্দ্রের তরফে যে বিল আনা হয়েছে, তা যদি আইনে পরিণত হয়, সেক্ষেত্রে এই শিল্প বাঁচিয়ে রাখাই সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে৷ আমরা বিষয়টি রাজ্যপাল থেকে মুখ্যমন্ত্রী, সবাইকে জানিয়েছি৷ কিন্তু এখনও কোনও সুরাহা না হওয়ায় বাধ্য হয়েই ধর্মঘটের রাস্তায় হাঁটছি৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement