৪ আশ্বিন  ১৪২৬  রবিবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুবীর দাস, কল্যাণী: পুলিশের লাঠিচার্জে আক্রান্ত প্যারা টিচারদের পাশে দাঁড়ালেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং৷ রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়ে বললেন, ‘‘রাজ্যে গণতন্ত্র বিপন্ন৷ সাধারণ মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে বললেই অত্যাচার করা হচ্ছে৷ গোটা রাজ্যে পিসি-ভাইপো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি চলছে৷’’

[ আরও পড়ুন: ‘দিদিকে বলো’ নম্বরে ফোন করেই মুশকিল আসান, বাড়ি পেলেন কাটোয়ার মহিলা ]

রবিবার দুপুরে জেলার বিজেপি কর্মী ও আন্দোলনরত প্যারা টিচারদের নিয়ে মিছিল করে কল্যাণী থানায় যান অর্জুন সিং৷ প্রথমে থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেন তিনি৷ তারপর পুলিশকে ডেপুটেশন দেন৷ সূত্রের খবর, পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের কাছে একাধিক দাবি জানান বারাকপুরের সাংসদ৷ শনিবার সন্ধেয় কেন আলো নিভিয়ে প্যারা টিচারদের উপর অত্যাচার চালাল পুলিশ, সেই প্রশ্ন করেন তিনি৷ জানা গিয়েছে, গতকালের ঘটনার পর রবিবার সকালেও কল্যাণী স্টেশনে জমায়েতের সিদ্ধান্ত নেন প্যারা টিচাররা৷ কিন্তু কোনও ভাবে আগে থেকেই সেই খবর পৌঁছে যায় পুলিশের কাছে৷ ফলে স্টেশনে কঠোর প্রহরার ব্যবস্থা করে পুলিশ৷ সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই পরিচয় জানতে চাওয়া হয়৷ কিন্তু তাও বিক্ষোভকারীদের থামানো যায়নি৷ কল্যাণী স্টেশনেই জমায়েত করেন৷ এবং সেখান থেকেই মিছিল করেন৷

এদিনের মিছিলে অর্জুন সিং ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নদিয়া জেলা বিজেপির সভাপতি মানবেন্দ্র রায়৷ ছিল জেলা বিজেপি নেতা-কর্মী-সমর্থকরা৷ ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে দিতে স্টেশন থেকে থানা পর্যন্ত মিছিল করেন তাঁরা৷ সূত্রের খবর, বিজেপি ছাড়াও প্যারা টিচারদের দাবিকে সমর্থন করেছে কংগ্রেস, এসএফআই৷ যদিও এই আন্দোলনের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই বলেই দাবি করেছেন বিক্ষোভকারীরা৷ তাঁদের স্পষ্ট বক্তব্য, ‘‘আমাদের বিক্ষোভের সঙ্গে কোনও যোগ নেই৷ তবে সমস্ত রাজনৈতিক দলকেই স্বাগত জানাব আমরা৷’’ সূত্রের খবর, পরে আলোচনা করে রবিবারের মতো বিক্ষোভ তুলে নেন প্যারা টিচাররা৷ আগামী সপ্তাহে কলকাতায় বড় বিক্ষোভ কর্মসূচির ভাবনা রয়েছে তাঁদের৷

[ আরও পড়ুন: তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নোংরা জলে বাড়ছে বিপদ, কোলাঘাটে বিক্ষোভে গ্রামবাসীরা ]

উল্লেখ্য,সল্টলেকের পর বেতনবৃদ্ধির দাবিতে শনিবার কল্যাণীতে বিক্ষোভে বসেন আংশিক সময়ের শিক্ষকরা৷ দিনভর তাঁদের বুঝিয়ে বিক্ষোভ তোলার চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয় পুলিশ৷ অভিযোগ, এরপরই রাতে আলো নিভিয়ে শিক্ষকদের উপর অত্যাচার চালায় পুলিশ৷ ব্যাপক লাঠিচার্জ করা হয়৷ মারধর করা হয় পুরুষদের৷ মহিলাদের অনেকেরই শাড়ি, ব্লাউজ ছিঁড়ে দেওয়া হয়৷ এরই প্রতিবাদে রবিবারও আন্দোলন করেন প্রতিবাদীরা৷

দেখুন ভিডিও:

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং