সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উৎসবের মরশুম শেষ হতে না হতেই ফের রাজ্যে নির্বাচনী আবহ। আগামী নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে রাজ্যের তিনটি বিধানসভায় উপনির্বাচন। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, ২৫ নভেম্বর নদিয়ার করিমপুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর এবং উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে ভোটগ্রহণ হবে। ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ ২৮ নভেম্বর।
এপ্রিল-মে মাসে লোকসভা ভোট হয়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। সদ্যই দু’রাজ্যে হয়ে গেল বিধানসভা নির্বাচন। রয়েছে আরও দুই রাজ্যের ভোটও। বাংলাতেও ফের সেই নির্বাচনী হাওয়া। লোকসভা ভোটের প্রার্থী হতে গিয়ে নিজেদের বিধায়ক পদ ছেড়েছিলেন রাজ্যের তিন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁদের পদত্যাগের জেরে ওই তিন বিধানসভা কেন্দ্র আপাতত বিধায়কহীন। সেখানেই নতুন করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করতে নভেম্বরের শেষদিকে রাজ্যের তিন বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন।
[আরও পড়ূুন: গারুলিয়া পুরসভাও হাতছাড়া বিজেপির, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনর্দখল তৃণমূলের]
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, করিমপুর, কালিয়াগঞ্জ এবং খড়গপুর বিধানসভায় উপনির্বাচন হবে আগামী ২৫ নভেম্বর। ২৮ নভেম্বর ফলাফল প্রকাশিত হবে। নদিয়ার করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রটি কৃষ্ণনগর লোকসভার অন্তর্গত। কৃষ্ণনগর থেকে সাংসদ পদে লড়াইয়ের জন্য বিধায়ক পদ ছেড়েছিলেন তৃণমূলের মহুয়া মৈত্র। লোকসভা ভোটে জিতে তিনি এখন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। তাই করিমপুরে তাঁর শূন্য পদ পূরণের জন্য উপনির্বাচন হবে। খড়গপুর বিধানসভা মেদিনীপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। সেখানকার বিধায়ক ছিলেন বিজেপির দিলীপ ঘোষ। কিন্তু তিনি লোকসভা ভোটে জিতে এখন মেদিনীপুরের সাংসদ। তাই খড়গপুরের জন্য বিধায়ক বাছতে ফের ভোটের আয়োজন। আর উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রে অন্তর্গত কালিয়াগঞ্জ। সেখানে বিধায়ক ছিলেন কংগ্রেসের প্রমথনাথ রায়। তাঁর মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়ে গিয়েছে। ফলে সেই পদ পূরণের জন্য কালিয়াগঞ্জে উপনির্বাচন।
[আরও পড়ূুন: দেওর-বউদির পরকীয়ায় বাধা, আত্মহত্যার চেষ্টা যুগলের]
লোকসভা ভোটের ফলাফলের দিকে নজর রাখলে একথা অস্বীকার করার উপায় নেই যে উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের শক্তি অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে গেরুয়া উত্থান। ফলে কালিয়াগঞ্জের দখল রাখা নিয়ে তৃণমূল বেশ চিন্তায়। আবার নদিয়ায় দু’দলের মধ্যে এখন টানটান যুদ্ধ। মহুয়া মৈত্রের মতো দক্ষ বিধায়কের জায়গায় জনগণ কাকে নির্বাচিত করবেন, তা দেখার। আর খড়গপুর তো বরাবরই বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের শক্ত ঘাঁটি। তা নিয়ে বিজেপি আত্মবিশ্বাসী হলেও, তৃণমূল লড়াইয়ের মাটি একচুলও ছাড়বে না, তা বলাই বাহুল্য।
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দেবেন, অথচ ভারতের অধিনায়ক হওয়ার স্বপ্নই ছিল না! বিরাট স্বীকারোক্তি গিলের
-
‘বাড়িতে যা দেখবে তাই শিখবে’, ছেলে বিহানের জন্য নিজেদের মধ্যে কোন বদল এনেছেন ভিকি-ক্যাটরিনা?
-
তামিল অস্মিতায় আঘাত! হাইওয়ের সাইনবোর্ডে হিন্দি লেখায় সাসপেন্ড ২ আধিকারিক
-
গান্ধী জয়ন্তীতে বিরাটিতে বামেদের সভামঞ্চে ব্যাপক ভাঙচুর! আক্রান্ত মহিলারাও
-
দেবীর স্নানের জলই চরণামৃত! শাস্ত্র মেনে কীভাবে আয়োজিত হয় দুর্গার মহাস্নান?