Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

বিসর্জন নির্দেশিকা নিয়ে রাজ্যের সমালোচনায় আদালত

রাজ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ থাকলে একইদিনে কেন দুই উৎসব পালন করা যাবে না, প্রশ্ন আদালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭, ১৩:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০১৭, ১৩:০৯

options
link
বিসর্জন নির্দেশিকা নিয়ে রাজ্যের সমালোচনায় আদালত zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনের দিনক্ষণ নিয়ে রাজ্যকে বিঁধল কলকাতা হাই কোর্ট। রাজ্যের বিসর্জনের নির্দেশিকা নিয়ে সরকারের ভূমিকায় বিরক্ত আদালত। বুধবার হাই কোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন রাজ্যের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, বিসর্জনে শৃঙ্খলা বিঘ্নিত হবে সেটা আগাম আঁচ করলেন কীভাবে? আদালত জানতে চায়, কীসের ভিত্তিতে বিসর্জন সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য?

সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে রাজ্যের সমালোচনা করে আদালত। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের যুক্তি, রাজ্য সরকার বারবার দাবি করে, পশ্চিমবঙ্গ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় নজির স্থাপন করে। তাহলে দুটি সম্প্রদায়ের উৎসব কেন একসঙ্গে উদযাপন করা যাবে না? কোথা থেকে রাজ্য এই তথ্য পেল যে সাম্প্রদায়িক অশান্তি তৈরি হতে পারে? এটা কি রাজ্যের আশঙ্কা? রাজ্য যদি মনে করে যে, আগামিকাল হাই কোর্টের উপর উপগ্রহ ভেঙে পড়বে তাহলে কী করবে? হাই কোর্ট খালি করে দিতে বলবে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[দশমীর দিন বিসর্জনের সময় বাড়াল রাজ্য]

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ১ অক্টোবর একাদশীর দিন মহরম হওয়ায় দশমীর দিন সন্ধ্যা ছ’টার মধ্যে বিসর্জন সেরে ফেলতে হবে৷ নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে কলকাতার সবক’টি পুজো কমিটির প্রতিনিধি ও পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন, দশমীর দিন সন্ধে ৬টা পর্যন্ত বিসর্জন পর্ব চলতে পারে। তবে একাদশীর দিন কোনও পুজো কমিটি প্রতিমা নিরঞ্জন করতে পারবে না। কারণ, ওই দিন মহরম। তাই সেদিন প্রতিমা বিসর্জনের অনুমতি দিচ্ছে না রাজ্য সরকার। রাজ্যের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। শেষ পর্যন্ত দশমীর দিন প্রতিমা বিসর্জনের সময় খানিকটা বাড়ায় রাজ্য সরকার। সন্ধ্য ছ’টার বদলে রাত দশটা পর্যন্ত বিসর্জন দেওয়া যাবে বলে আদালতে জানান রাজ্য সরকারের অ্যাডভোকেট জেনারেল। তবে পঞ্জিকা মতে দশমী তিথি অনুযায়ী রাত ১.৩৬টা পর্যন্ত বিসর্জনের সময় রাখার আবেদন জানানো হয় আদালতে।

[মুখ্যমন্ত্রীর বিসর্জন ‘ফর্মুলায়’ ক্ষোভ আরএসএসের]

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, দশমীর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাড়ি ও ছোট পুজো কমিটি প্রতিমা বিসর্জন করতে পারবে। ১ অক্টোবর মহরম। ওইদিন বিসর্জন বন্ধ রেখে ২ অক্টোবর থেকে লক্ষ্মীপুজোর আগের দিন অর্থাৎ, ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আবার নিরঞ্জন পর্ব চলবে। সেরা প্রতিমা নিয়ে গত বছরের মতো ৩ অক্টোবর রেড রোডে হবে কার্নিভাল। মহরমের শোভাযাত্রা এবং দুর্গাপুজোর নিরঞ্জন নিয়ে যাতে কোনও অশান্তি না হয় তার জন্য এই সিদ্ধান্ত বলে জানায় প্রশাসন। তবে প্রবল বিতর্ক ও একের পর এক মামলার পর শেষ পর্যন্ত বিসর্জনের ‘ডেডলাইন’ বাড়ায় রাজ্য৷

আদালতের আশঙ্কা, বিসর্জন নিয়ে রাজ্যের এই নির্দেশই কি দুটো সম্প্রদায়ের মধ্যে ভাগ টানতে যথেষ্ট নয়? আদালতের প্রশ্ন, দশেরা ও মহরম যদি একসঙ্গে পড়ত, তাহলে রাজ্য সরকার কী করত? বিচারপতি জানান, নির্দিষ্ট তথ্য ছাড়া নিজের চিন্তাভাবনা অন্যদের ওপর চাপানো যায় না। হাই কোর্ট এদিন রাজ্যকে মনে করিয়ে দেয়, শাস্তি তখনই হবে যখন অপরাধ সংগঠিত হবে। বৃহস্পতিবার বিসর্জন মামলার রায় ঘোষণা করবে হাই কোর্ট। আদালতের রায়ের দিকেই এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

[‘দুর্গাপুজোর বিসর্জন ও মহরম নিয়ে অহেতুক বিতর্ক তৈরির চেষ্টা হচ্ছে’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.