Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Jiban Krishna Saha

দলের নেতার সঙ্গে কথা কাটাকাটি! জীবনকৃষ্ণের কল রেকর্ডিং ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

ভাইরাল কল রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৪, ১৪:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২৪, ১৪:৪৬

options
link
দলের নেতার সঙ্গে কথা কাটাকাটি! জীবনকৃষ্ণের কল রেকর্ডিং ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের চর্চায় বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। এবার ভাইরাল দলের এক নেতার সঙ্গে বিধায়কের কল রেকর্ডিং। সেখানে একটি প্রিন্টার নিয়ে কথা কাটাকাটি শোনা গিয়েছে। অডিওটিতে প্রিন্টার ফেরতের দাবি জানিয়ে বিধায়ককে রীতিমতো ভর্ৎসনা করতে শোনা যায় তৃণমূল নেতা মাহে আলমকে। যদিও এই কল রেকর্ডিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০২৩ সালের এপ্রিলে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা। চলতি বছরের মে মাসে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। এলাকায় ফেরার কয়েকমাস পেরতে না পেরতেই ফের বিতর্কে বিধায়ক। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি কল রেকর্ডিং। শোনা যাচ্ছে, ভাইরাল অডিও ক্লিপটি বড়ঞার বিধায়ক জীবনকৃ্ষ্ণ সাহা ও ব্লক তৃণমূল সভাপতি মাহে আলমের কথোপকথনের। সেখানে শোনা যাচ্ছে, মাহে আলম দাবি করছেন, তিনি একটি প্রিন্টার দিয়েছেন। সেটি এখন ফেরত দিতে হবে। এদিকে বিধায়ক বিভিন্নভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। এদিকে মাহে আলম নাছোড়বান্দা। বিধায়ককে একাধিক কটূ কথাও বলেন তিনি। শেষে বাধ্য হয়ে টাকা ফেরতের প্রতশ্রুতি দেন বিধায়ক। সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল এই অডিওকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনার মুখে জীবনকৃষ্ণ।

Advertisement

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের এপ্রিলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার (Jiban Krishna Saha) বাড়িতে তল্লাশি চালান সিবিআই আধিকারিকরা। এই দুর্নীতিতে গ্রেপ্তার হওয়া মিডলম্যানদের সঙ্গে বিধায়কের যোগাযোগ এবং আদানপ্রদানের অভিযোগে এই তল্লাশি। বড়ঞার আন্দি গ্রামে তাঁর বাড়িতে টানা ৭২ ঘণ্টা অভিযান চলাকালীন নিজের দুটি মোবাইল ফোন পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক (TMC MLA)। পরে সন্ধে নাগাদ বাড়ির পিছনদিকের পুকুর ছেঁচে একটি মোবাইল উদ্ধার করেন বিশেষজ্ঞ তদন্তকারীরা। অপরটি তখনও পাওয়া যায়নি। সিবিআইয়ের দাবি ছিল, তথ্য লোপাট করতে মোবাইল পুকুরে ছুড়ে ফেলেছেন। টানা জেরার মুখে ভেঙে পড়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক। পরেরদিন ভোরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। চলতি বছর জামিন পেয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.