Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

ভাগাড় কাণ্ডের জের, বালুরঘাটে ফুড লাইসেন্স বিলিতে জোর প্রশাসনের

ছোট-বড় সব খাবারের দোকানের মালিককে নিতে হবে ফুড লাইসেন্স।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৮, ১৯:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৪, ২০১৮, ১৯:১৮

options
link
ভাগাড় কাণ্ডের জের, বালুরঘাটে ফুড লাইসেন্স বিলিতে জোর প্রশাসনের zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: ভাগাড় কাণ্ডের জেরে সক্রিয় খাদ্য দপ্তর এবার জোর দিল ফুড লাইসেন্সে। বালুরঘাটের হোটেল ও রেস্তরাঁয় অভিযান চালাতে গিয়ে প্রশাসনের নজরে এসেছিল অধিকাংশদের লাইসেন্স না থাকার বিষয়টি। অনেক দোকান ফুড লাইসেন্স ছাড়াই ব্যবসা চালাচ্ছে। এরপরই হোটেল ও রেস্তরাঁগুলিকে এই লাইসেন্স দেওয়ার ব্যাপারে উদ্যোগী হয় জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। শুরু হয়েছে ফুড লাইসেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়া। চলছে আবেদন গ্রহণ।

[কমনরুমে পড়ুয়াকে নগ্ন করে মার, সেন্ট পল’স কাণ্ডে দায়ের এফআইআর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভাগাড় কাণ্ড নিয়ে রাজ্য তোলপাড় হলেও অনেকটা দেরিতে ঘুম ভেঙেছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের। দিন কয়েক আগে বালুরঘাট শহরের হোটেল ও রেস্তরাঁগুলি থেকে খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে কলকাতায় পাঠানো হয়। তারপরই জানা যায় শহরের অধিকাংশ হোটেল ও রেস্তরাঁর ফুড লাইসেন্স নেই। এমনকী রেস্তরাঁর রান্নার জায়গাগুলিও অস্বাস্থ্যকর। এরপরই হোটেল ও রেস্তরাঁর  মালিকদের সতর্ক করে বলা হয়, স্বাস্থ্যকর পরিবেশে রান্না করার পাশাপাশি সকলকেই নিতে হবে ফুড লাইসেন্স। তবে কয়েকজন ব্যবসায়ী আবেদন করতে এগিয়ে এলেও তেমনভাবে এগিয়ে আসতে দেখা যায়নি অন্যদের। অবশেষে বালুরঘাটের বেশ কিছু হোটেল ও রেস্তরাঁকে ফুড লাইসেন্স (ফ্যাসাই) দেওয়ার পক্রিয়া নিজেই শুরু করল জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর। সোমবার পর্যন্ত ৬৫ জন হোটেল ও রেস্তরাঁ মালিক আবেদন করেছেন বলে জানা গিয়েছে। বালুরঘাট পুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার খাবারের দোকানগুলিকে ফুড লাইসেন্স দেওয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি খাদ্য সুরক্ষার জন্য হোটেল মালিকরা সংঘবদ্ধ হয়ে বালুরঘাট হোটেল রেস্টুরেন্ট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গঠন করেছে।

জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের আধিকারিক দীপক ঘোষ জানান, ছোট হোক বা বড়। সব খাবারের দোকানের মালিককে নিতে হবে ফুড লাইসেন্স। মানতে হবে সব নিয়মনীতি। বাসি বা পচা কোনও খাবার গ্রাহককে দেওয়া যাবে না। রান্না ও খাওয়ার পরিবেশন করার জায়গা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে। ফুড লাইসেন্স দেওয়ার পক্রিয়া শুরু হয়েছে। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ভবনের তিনতলায় রয়েছে তাদের কার্যালয়। সেখানে গেলে খুব সহজেই আবেদন করা যাবে  লাইসেন্সের জন্য। হোটেল মালিক নিখিল চন্দ্র দাস জানান, ফুড লাইসেন্স প্রত্যেক ছোট-বড় খাবার দোকানে লাগবে। এতে তাঁরা সহযোগিতা করবেন। জেলা খাদ্যদপ্তরের আধকারিকরা তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন বলেও তিনি জানান।

[সম্পর্কে বিচ্ছেদের রোষ, প্রেমিকার নগ্ন ছবি এসকর্ট সার্ভিসের সাইটে ছড়াল প্রেমিক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.