Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
CBI

কয়লা পাচার কাণ্ডে লালার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করল সিবিআই

লালা যাতে বিদেশে পালাতে না পারে তাই এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২০, ১১:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৮, ২০২০, ১১:৫১

options
link
কয়লা পাচার কাণ্ডে লালার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করল সিবিআই zoom

সুব্রত বিশ্বাস: কয়লা পাচার কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালার বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করল সিবিআই। দেশের সমস্ত বিমানবন্দরে পাঠানো হয়েছে ছবি-সহ ওই নোটিস। লালা যাতে বিদেশে পালাতে না পারে তাই এই পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। এছাড়া, লালার এক সহযোগী ব্যবসায়ী নীরজ সিংকেও তলব করা করেছে সিবিআই (CBI)।

[আরও পড়ুন: নদিয়ায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু তৃণমূল কর্মীর, খুনের অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে]

সোমবার অসুস্থতা দেখিয়ে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিল লালা। বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে রাজ্য ও ভিন রাজ্যে কয়লা পাচার নিয়ে তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। পাচারচক্রের উৎখাতে আসানসোলে শিবির করে চব্বিশ ঘন্টা ধরে তল্লাশি চালাচ্ছে এই বাহিনী। প্রতিক্ষেত্রে অভিযুক্ত লালা। তাঁর সন্ধানে কলকাতা ও পুরুলিয়ায় হানা দিয়ে লালাকে নাগালে পায়নি সিবিআই। সোমবার বেলা এগারোটায় সময়ে তাকে নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছিল সিবিআই (CBI)। কিন্তু নিজেকে অসুস্থ জানিয়ে উকিলকে দিয়ে নিজাম প্যালেসে চিঠি পাঠায় সে। লালা কি আদৌ অসুস্থ? তা নির্ণয় করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে ইতিমধ্যে লালা মুম্বই পালিয়েছে বলে অনুমান। মুম্বইয়ে সিবিআই আধিকারিকদের সতর্ক করেছে কলকাতার দপ্তর।

Advertisement

এদিকে পাচারকারীদের সঙ্গে ইসিএল কর্তাদের সখ্যের একাধিক নমুনা পেয়েছে সিবিআই। ইসিএলের জায়গায় কয়লা পাচারকারীদের বেআইনি মেশিনের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে সূত্রের খবর। গরু পাচারের তদন্তে বিএসএফের সহযোগিতা চেয়েছিল সিবিআই। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালে বিএসএফের পোস্টেড কর্মীদের তালিকা পাঠাল সংশ্লিষ্ট দপ্তর। বিএসএফের গ্রেপ্তার হওয়া কমান্ডেন্ট সতীশ কুমার দায়িত্বে থাকাকালীন মালদহ, মুর্শিদাবাদ সীমান্ত গরু পাচারের মূল করিডোর ছিল বলে তদন্তে দেখেছে সিবিআই। কিভাবে, কাদের সহযোগিতায় পাচার চলতো তার বহু তথ্য পাওয়ার পাশাপাশি তদন্তকারীরা সতীশ কুমারের আত্মীয়দের অ্যাকাউন্ট কোটি কোটি টাকার হদিস পেয়েছে। একাজে সতীশ কুমারকে বিএসএফের (BSF) কারা সহযোগিতা করতেন তার বিস্তারিত তথ্য পেতে সিবিআই দু’বছরের পোস্টেড কর্মীদের অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়।

[আরও পড়ুন: ‘দু’পয়সার প্রেস’ মন্তব্যে বিতর্কের ঝড়, ‘সঠিক’ বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইলেন মহুয়া]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.