Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Chhatradhar Mahato

‘মমতাই শেষ কথা, তৃণমূলে কোনও দাদার স্থান নেই’, শুভেন্দুকে তোপ ছত্রধরের

তৃণমূলের শহিদ মূর্তিতে মালা দিলেন 'দাদার অনুগামীরা'।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ২০:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০২০, ২০:৫০

options
link
‘মমতাই শেষ কথা, তৃণমূলে কোনও দাদার স্থান নেই’, শুভেন্দুকে তোপ ছত্রধরের zoom

সুমিত বিশ্বাস: ‘তৃণমূল কংগ্রেসে মমতা বন্দোপাধ্যায়ই শেষ কথা। এখানে কোনও দাদার স্থান নেই।’ তৃণমূলের প্রথম শহিদ প্রধান সিং মুড়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে পুরুলিয়ায় এসে এক শ্রদ্ধাঞ্জলি সভা থেকে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নাম না করে এই কথাই বললেন রাজ্য তৃণমূলের সম্পাদক ছত্রধর মাহাতো। 

[আরও পড়ুন: অব্যাহত তরজা, বিনয় তামাংয়ের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক রাজনীতির অভিযোগে সরব বিমল গুরুং]

মঙ্গলবার এই সভা ছিল বাঘমুন্ডির বাড়েরিয়া মোড়ে। বেশ কয়েকবছর আগে সেখানেই ওই শহিদ নেতার মূর্তি উন্মোচন করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সেই মূর্তিতে মালা দিয়েই নাম না করে শুভেন্দুকে বিঁধেন জঙ্গলমহলের নেতা ছত্রধর। তাই অতীত দিনের আন্দোলনের কথা এদিনের সভা থেকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। ছত্রধর বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসে মমতা বন্দোপাধ্যায়ই শেষ কথা l এখানে কোনও দাদার স্থান নেই। আপনাদের সংগ্রামের জন্যই আজ জঙ্গলমহল। আপনাদের ঘাম-রক্ত ঝরেছিল বলেই আজ জঙ্গলমহলের পরিবর্তন।” তাঁর কথায়, নেত্রী তাঁকে সম্মান দিয়েছেন l তার মানে জঙ্গলমহলের প্রত্যেকটা মানুষকে সন্মান দিয়েছেন। তাই ২০২১-এ সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। এখানে পদ্মফুলের কোনও স্থান নেই। গত লোকসভা ভোটে ভুল বুঝিয়ে এই জঙ্গলমহল থেকে ভোট লুঠ করেছিল বিজেপিl বামফ্রন্টের হার্মাদরাই গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছে।

Advertisement

জঙ্গলমহলের জনজাতি মানুষজনের কাছে বিজেপি যে কত বড় বিপদ এদিন তাঁর বক্তৃতায় প্রত্যেকটা শব্দে শব্দে সেই কথা তুলে ধরেন ছত্রধর। তাঁর কথায়, “২০২১-এ অস্তিত্ব বাঁচানোর লড়াই। বিজেপি এলে আপনাদের জাহের থান থাকবে না। সেখানে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করবেl এরা যা বলবে তাই করতে হবে। এদের নীতিটাই এমন।” বিজেপির কথা না শুনলে তারা যে ভাবে প্রতিহিংসা পরায়ণ আচরণ করেন নিজেকে দিয়ে সেই কথা তুলে ধরেন তিনিl তাঁর কথায়, “আমি দিলীপ ঘোষের প্রস্তাবে সাড়া দিইনি তাই যে মামলায় আমি ছাড়া পেয়েছি সেই মামলা ওরা নতুন করে শুরু করতে চাইছেন। তাই এনআইএকে লেলিয়ে দিয়েছেন।” এদিন তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি ‘আমরা দাদার অনুগামী’রাও ওই বাড়েরিয়া মোড়-সহ শহিদের গ্রাম তনতনে প্রধান সিং মুড়ার মূর্তিতে মালা দেন। এদিনের শ্রদ্ধাঞ্জলি সভায় ছিলেন পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা পুরুলিয়া জেলা পরিষদের শিক্ষা-সংস্কৃতি-তথ্য-ক্রীড়া স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ গুরুপদ টুডু, দলের জেলা কোঅর্ডিনেটর সুষেন চন্দ্র মাঝি, জেলা মুখপাত্র নবেন্দু মাহালি ও জেলা যুব সভাপতি তথা বাঘমুন্ডির পয়েন্টস অফ কন্টাক্ট সুশান্ত মাহাতো। তবে এদিনের সভায় সেভাবে ভিড় হয়নি। ফাঁকা ফাঁকাই ছিল সভাস্থল। শ্রমিকদের স্বার্থে আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৯৮ সালের ৯ ডিসেম্বর বাম নেতা-কর্মীদের হাতে শহিদ হন তৃণমূল নেতা প্রধান সিং মুড়া।

[আরও পড়ুন: বিধায়ককে না জানিয়ে বৈঠক! বালিতে পিকের টিমের সামনেই হাতাহাতি বৈশালীর অনুগামীর]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.