Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

সৌজন্যের বার্তা চিনের, প্রতিষ্ঠা দিবসে ভারতীয় সেনাকে আমন্ত্রণ লাল ফৌজের

ডোকলাম বিতর্কের বরফ গলার ইঙ্গিত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৮, ১২:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০১৮, ১২:২৬

options
link
সৌজন্যের বার্তা চিনের, প্রতিষ্ঠা দিবসে ভারতীয় সেনাকে আমন্ত্রণ লাল ফৌজের zoom
Advertisement

সঞ্জীব মণ্ডল, শিলিগুড়ি: ভারত-চিন সীমান্তে সৌজন্যের নয়া নজির। ডোকলাম বিতর্ককে পিছনে ফেলে লালফৌজের ৫১-তম প্রতিষ্ঠা দিবসের উদযাপনে মুখোমুখি ভারত ও চিনা সেনা। এই উপলক্ষে বুধবার সিকিমের নাথু-লা’তে মিলিত হলেন দু’দেশের সেনা জওয়ানরা। চিনা সেনা জওয়ানদের বিশেষ আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে সীমান্তে শান্তি ও সৌজন্যের বার্তাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় সেনা জওয়ানরা। প্রথমে দু’দেশের সেনাকর্তাদের মধ্যে করমর্দন দিয়েই শুরু হয় অনুষ্ঠান। তারপর চিন ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ছবি পাশপাশি রেখে দু’দেশের সেনা নায়করা হাত ধরাধরি করে ছবিও তোলেন। এমনকী, সেনাদের মনোরঞ্জনের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও ব্যবস্থা ছিল। ডোকলাম নিয়ে যে বরফ গলছে তা লালফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসের আমন্ত্রণ থেকেই স্পষ্ট হচ্ছে।

Advertisement

[তোলা চেয়ে বেধড়ক মারধর, পালিয়ে বাঁচলেন ঠিকাদার সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার]

উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ভারতে ঘুরে গিয়েছে চিনা ফৌজের এক প্রতিনিধি দল। সেই সময় শিলিগুড়ির সুকনাতে এসে প্রতিনিধি দলটি ভারতীয় সেনাকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। চিন ও ভুটানের সীমান্তবর্তী এলাকা ডোকলামে বেআইনি ভাবে চিনা সেনার রাস্তা নির্মাণ করছে। এনিয়ে গত বছর ভারত ও ভুটানের সঙ্গে চিনের সমস্যা শুরু হয়েছিল৷ দীর্ঘ ৭৩ দিন দু’দেশের সেনার মধ্যে দ্বৈরথের ফলে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয় নয়াদিল্লি ও বেজিংয়ের মধ্যে৷ রীতিমতো শর্ত দিয়ে চিন জানিয়েছিল বিতর্কিত উপত্যকা থেকে ভারত সেনা সরালে তবেই তারা সেনা সরাবে৷ এই পরিস্থিতির জন্য প্রথম থেকেই চিনের চোখে মূলচক্রী হয়ে উঠেছিলেন ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। এমনকী, চিনের সরকারি সংবাদ মাধ্যম গ্লোবাল টাইমস তা প্রকাশ্যে ঘোষণাও করে৷ পরে অবশ্য আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান ঘটে৷ ডোকলাম থেকে সেনা পিছিয়ে নেয় চিন৷ একই ভাবে বন্ধুত্বের বার্তা দিয়ে সেদেশে গিয়ে চিনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠক করে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ দু’দেশের প্রশাসনিক আধিকারিকদের মধ্যেও কথাবার্তা হয়৷ বাণিজ্যিক সম্পর্ক মজবুত করতেও সচেষ্ট হন দু’দেশের আধিকারিকরা৷ ফলে ডোকলাম সমস্যার জেরে তলানিতে এসে ঠেকা দু’দেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ফের স্বাভাবিক হচ্ছে। তারই নিদর্শন লাল ফৌজের বর্ষপূর্তিতে ভারতীয় সেনাদের আমন্ত্রণ পাওয়া।

[প্রবল বর্ষণে উপচে পড়ছে জল, গোঘাটে ভেসে গেলেন ব্যবসায়ী]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.