Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
CID

কালিয়াগঞ্জে পুলিশের ‘গুলি’তে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার নিল সিআইডি

কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের দাবিতে হাই কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৩, ১১:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৩, ১১:২৩

options
link
কালিয়াগঞ্জে পুলিশের ‘গুলি’তে রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার নিল সিআইডি zoom

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: কালিয়াগঞ্জে (Kaliagunj) পুলিশি অভিযান চলাকালীন রাজবংশী যুবকের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তভার নিল সিআইডি। সোমবার সকাল থেকেই কাজ শুরু করতে চলেছে রাজ্যের গোয়েন্দা দপ্তর। এই খবর নিশ্চিত করেছেন ডিআইজি অনুপ জয়সওয়াল। তিনি জানিয়েছেন, ”রাজ্য সরকারের নির্দেশে সিআইডি (CID) তদন্তভার নিচ্ছে। তাঁরা যোগাযোগ করেছেন। তবে কবে থেকে তাঁরা কাজে নামবেন, তা এখনও জানাোনো হয়নি।” ঘটনার পাঁচদিনের মধ্যেই সিআইডি তদন্তভার নিল। যদিও পরিবার অনড় সিবিআই তদন্তের দাবিতেই।

গত বুধবার কালিয়াগঞ্জের সীমান্তবর্তী রাধিকাপুর পঞ্চায়েত এলাকায় পুলিশি অভিযান চলাকালীন বাধা দিতে গিয়ে মৃত্যুঞ্জয় বর্মন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। অভিযোগ, পুলিশের গুলিতেই প্রাণ হারিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও (PM Report) তাঁর শরীরে বুলেটের আঘাত মিলেছে। এই ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাধিকাপুর। এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। স্বজনহারা পরিবার এখনও শোক সামলে উঠতে পারেনি। অসুস্থ মৃত্যুঞ্জয়ের বাবা রবীন্দ্রনাথ বর্মন, স্ত্রী গৌরীদেবী। মৃতের দাদা মৃণাল বর্মন কালিয়াগঞ্জ থানার এএসআই (ASI) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করেছেন। তাঁর অভিযোগ, ওইদিন পুলিশি অভিযান চলে এএসআইয়ের নেতৃত্বেই।

Advertisement

[আরও পডুন: নিয়োগ কাণ্ডে নতুন রহস্যময়ী! অয়ন শীল ঘনিষ্ঠ ‘লীলা’র সন্ধান শুরু করল ইডি]

মৃত্যুঞ্জয়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে রবিবার বিকেলে রাধিকাপুরে মিছিল করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। সঙ্গে ছিলেন মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরাও। এদিকে, আজ আবার ইসলামপুর বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে বিজেপির। রায়গঞ্জের সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরীর নেতৃত্বে হবে বিক্ষোভ।  উল্লেখ্য, মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের দেহ দাহ হয়নি এখনও। বাড়ির কাছে তা সমাধিস্থ করে রাখা হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে ফের যাতে দেহ তোলা যায়, সেই কারণে এই ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে। 

[আরও পডুন: ‘তৃণমূলে নবজোয়ার’ কর্মসূচির মাঝে মালদহ সফরে মমতা, রয়েছে ঠাসা কর্মসূচি]

এদিকে, কালিয়াগঞ্জে মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের মৃত্যু নিয়ে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক আইনজীবী। ঘটনার তদন্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে করানোর দাবি জানান আইনজীবী অনিন্দ্যসুন্দর দাস। এই মর্মে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি। জনস্বার্থ মামলা দায়ের করার আবেদন মঞ্জুর করা হয়েছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.