Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ভাগাড় কাণ্ডের জাল গোটাতে তদন্তভার সিআইডিকে

আগেই তদন্তে সিট গঠন করে রাজ্য সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৮, ২১:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০১৮, ২১:০৫

options
link
ভাগাড় কাণ্ডের জাল গোটাতে তদন্তভার সিআইডিকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভাগাড় কাণ্ডে এবার তদন্তভার নিল সিআইডি৷ আজ সরকারিভাবে বজবজ থানার থেকে ভাগাড় কাণ্ডের তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি৷ কেননা, এই বজবজ এলাকাতেই প্রথম ভাগাড় কাণ্ডের খবর প্রকাশ্যে আসে৷ নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন৷

সিআইডি তদন্তভার গ্রহণ করার আগেই ভাগাড় কাণ্ডের তদন্তে সিট গঠন করে রাজ্য সরকার৷ মঙ্গলবার ভাগাড় কাণ্ডের তদন্তে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মাংস নিয়ে মানুষকে আশ্বস্ত করবে রাজ্য সরকার৷ পচা মাংসের কারবার রুখতে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷

Advertisement

কেননা, ভাগাড় কাণ্ড প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যে জুড়ে মাংসে অরুচি তৈরি হয়েছে৷ চলছে আতঙ্ক৷ আতঙ্ক এতটাই, হোটেল কিংবা রেস্তরাঁয় তো নয়ই, ছুটির দিনে বাড়িতে আর কেউ মাংস খাচ্ছে না৷ জানা গিয়েছে, ভাগাড় থেকে মরা পশুর মাংস সংগ্রহ করত একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। তারপর রাসায়নিক মিশিয়ে প্যাকেজিং করে পাঠিয়ে দেওয়া হত শহরের বিভিন্ন নামী হোটেল ও রেস্তরাঁয়। এতদিন পয়সা নিয়ে পচা মাংসই গোগ্রাসে গিলেছে আম বাঙালি! ভাগাড়ের মাংস খেয়ে টালিগঞ্জ ও যাদবপুর এলাকায় দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই৷ মানুষের শরীরে মিলিছে ভাগাড়ের জীবাণু৷

ভাগাড় কাণ্ডে লাগাতার অভিযান চালিয়ে ইতিমধ্যেই মূল পাণ্ডা কোটিপতি বিশ্বনাথ ঘোড়ুই ওরফে মাংস বিশুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাকে জেরা করে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। প্রাথমিকভাবে নারকেলডাঙার বরফকলের পাঁচ সহেন্দভাজনকে চিহ্নিত করেছেন গোয়েন্দারা৷ গ্রেপ্তার হয়েছে দু’জন৷ লাগাতার চলছে তল্লাশি অভিযান৷

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভাগাড় কাণ্ডে তদন্তে মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটি উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে৷ কমিটিতে রয়েছেন আরও ৯ জন সদস্য। গোটা ঘটনার তদন্ত করে রাজ্য সরকারকে রিপোর্ট দেবেন কমিটির সদস্যরা৷ তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর মাংস নিয়ে মানুষকে নিশ্চয়তা দিতে পারবে প্রশাসন৷ মঙ্গলবার কমিটি গড়ে দেওয়ার পর এবার ভাগাড় কাণ্ডের জাল গোটাতে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে সিআইডি৷ ধৃতদের জেরা করে রাজ্যের বাসিন্দাদের মন থেকে ভাগাড় আতঙ্ক মুছতেই সিআইডি’র এই তদন্তভার গ্রহণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহলের একাংশ৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.