Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

সোয়েটার না পাওয়ার অভিমানে আত্মঘাতী কিশোরী

শোকের ছায়া পরিবারে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১২:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৫, ২০১৯, ১২:২৫

options
link
সোয়েটার না পাওয়ার অভিমানে আত্মঘাতী কিশোরী zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, তমলুক: শীত পড়েছে কি পড়েনি। তবুও মেয়ের দাবি ছিল এবারে ভাল একটি শীতের পোশাক চাই। জেদ করে বেশ কয়েক দিন খাওয়া দাওয়াও বন্ধ রেখেছিল নবম শ্রেণির ছাত্রী। আর তা না মেলাতেই অভিমানে ওড়না ফাঁস নিয়ে আত্মঘাতী হল পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমার থানার মানুয়াখালির পুতুল পাত্র(১৫)। গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রত্যন্ত গ্রামের ওই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।

[‘চাটনিবাবু’ বলে কটাক্ষ করেই মুকুলের অভিযোগের জবাব পার্থর]

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ পুতুল শোয়ার ঘরের দরজা বন্ধ করে ওড়না দিয়ে ফাঁস তৈরি করে আত্মঘাতী হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নন্দকুমার থানার পুলিশ। মৃত পুতুলের বাবা মধুসুদন পাত্র স্থানীয় একটি ইটভাটার শ্রমিক। অভাবের কারণে বাড়ির একমাত্র ছেলে পড়াশুনো ছেড়ে ভিন রাজ্যে কাজের খোঁজে পাড়ি দিয়েছেন। এমন অবস্থায় মেয়ে পুতুল ও স্ত্রীকে নিয়ে গ্রামে দুই কামরার টালির বাড়িতে মধুসুদনবাবু ছোট সংসার। কিন্তু তাতেও তার সুখেই দিন কাটছিল। কিন্তু মেয়ের এই আবদার না মেটাতে পারলে যে মেয়ে আত্মঘাতী হবে তা ভাবতে পারেনি দিনমজুর বাবা। এদিন জেলা হাসপাতালের মর্গে এসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। মধুসুদনবাবু জানালেন, মেয়ে একটু জেদি ছিল। এরপর কয়েক দিন ধরেই জেদ ধরেছিল শীতের দামী পোশাক চাই। কিন্তু হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে সংসার সামলানোই দায় হয়ে উঠেছিল। তাই এই সব বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে পড়াশোনাতে মন দেওয়ার কথা বলে সামান্য একটু বকুনি দিয়েছিলাম মেয়েকে। আর তাতেই এই পরিণতি। মেয়েটা যে এভাবে আমাদের কাঁদিয়ে চলে যাবে তা ভাবতেই পারছি না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[বারণ না শুনে যোগ শেখানোর ফল, মুসলিম শিক্ষিকার বাড়িতে হামলা]

তমলুকের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অলোক পাত্র, এই বয়সে প্রায় সমস্ত বাচ্চারাই খুবই স্পর্শকাতর হয়। কোন কিছু চেয়ে না পেলেই তাদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। তাই আবেগের বশেই মনে হচ্ছে এমনটা হয়েছে। সে কারণে সব কিছুই যে চাইলেই পাওয়া যায় না সেই বোধ বাচ্চাদের ছোট অবস্থা থেকেই বাবা মায়ের শেখানোর প্রয়োজন।

ছবি : রঞ্জন মাইতি

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.