টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: রাস্তার ধারে বড় ফেস্টুন। কৃষক বন্ধুর প্রচার। পোস্টারে বড় বড় অক্ষরে লেখা ‘কৃষিবান্ধব সরকার, একগুচ্ছ উপহার’। পাশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসিমুখের ছবি। লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরেই বাঁকুড়া শহরে সরকারি হোর্ডিং, ব্যানার ও ফেস্টুন সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু করল জেলা প্রশাসন।
[ জেঠু অশোক ভট্টাচার্যের চাপ! বিজেপিতে যোগ দিয়েও ডিগবাজি অর্কদীপের]
এ সপ্তাহের শেষের দিকে কিংবা আগামী সপ্তাহের শুরুতেই লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। এমনই ইঙ্গিত ছিল। সেইমতোই রবিবার বিকেলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। লোকসভা ভোট হবে সাত দফায়। এ রাজ্যেও ভোটগ্রহণ সাত দফাতেই। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, নির্ঘণ্ট ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সমস্ত সরকারি দপ্তর থেকে সরকারের প্রচারমূলক হোর্ডিং-ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলতে হবে। তবে অন্যন্য জায়গায় কাজটি করার জন্য অতিরিক্ত একদিন সময় দেওয়া হয়েছে প্রশাসনকে। কমিশনের নির্দেশ মেনেই জেলাশাসকের দপ্তর থেকে মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী ছবি-সম্বলিত হোর্ডিং-পোস্টার-ফেস্টুন খোলার কাজে শুরু করল বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন। রিটার্নিং অফিসার তথা জেলাশাসক উমাশংকর এস জানিয়েছেন, নির্বাচনের কমিশনের নির্দেশ ব্লক প্রশাসনকেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি জেলার বিভিন্ন ব্লকের সরকারের প্রচারমূলক হোর্ডিং-ব্যানার খুলে দেওয়া হবে।
বাঁকুড়া জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট হবে ১২ মে। বাঁকুড়া ও বিষ্ণপুর লোকসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার ২৭ লক্ষ ৮২ হাজার ৬৭৭ জন। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র ৩ হাজার ২৫৯টি। বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রে মধ্যে আবার পড়ে পূর্ব বর্ধমানের খন্ডঘোষ বিধানসভা কেন্দ্রে, আর বিষ্ণুপুরের লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর বিধানসভা এলাকার বাসিন্দারা। এদিকে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর বাঁকুড়ায় বিভিন্ন দলের প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করার তোড়জোড়ও শুরু হয়ে গিয়েছে।
[ ভোট বয়কটের ডাক দিয়ে মাও পোস্টার, চাঞ্চল্য সোদপুরে]
সর্বশেষ খবর
-
‘বহিষ্কারের চিঠি বৈধ নয়’, তৃণমূলের সংবিধান তুলে ঋতব্রত-প্রশ্নে জবাব স্পিকারের
-
সময়ের ধুলো ঝেরে ঝকঝকে ঋত্বিকের কালজয়ী কীর্তি, লন্ডনে দেখানো হবে ‘অযান্ত্রিক’ সহ ৮ সিনেমা
-
১৫ বছর বয়সেই কোটি কোটি সম্পত্তি, নাবালক বৈভবকে কি আয়কর দিতে হয়?
-
দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট, হরমুজ হাহাকারে মিলবে জ্বালানি সমাধান?
-
প্রয়াত পদ্মশ্রী সাহিত্যিক রবিলাল টুডু, রোগভোগের পর না ফেরার দেশে ‘বীর বীরসা’র স্রষ্টা