Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

লুটের উদ্দেশ্যে জাহাজে হামলা জলদস্যুদের, রক্ষাকর্তা উপকূলরক্ষী বাহিনী

সুন্দরবনে বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজ লুটের ছক বানচাল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৭, ১২:৫০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৭, ১২:৫০

options
link
লুটের উদ্দেশ্যে জাহাজে হামলা জলদস্যুদের, রক্ষাকর্তা উপকূলরক্ষী বাহিনী zoom

স্টাফ রিপোর্টার: রাতের অন্ধকারে পরপর গুলির আওয়াজ। দু’পাশে গভীর জঙ্গলে ওত পেতে দক্ষিণরায়। ঠিক যেন সিনেমার দৃশ্য।
শনিবার ভোর রাতে এমন দৃশ্যেরই সাক্ষী থাকল সুন্দরবনের দুকুল ছাপানো নদী বিদ্যাধরী। রাত তখন দুটো। বাংলাদেশি পণ্যবাহী জাহাজের মাল্লারা সবে খেয়ে দেয়ে ঘুমনোর তোড়জোড় করছেন। ক্যাপ্টেনের চোখে পড়ে দূরের টিমটিম করা আলো। এত রাতে অন্য জাহাজ? কোনও সঙ্কেত তো পাঠায়নি নিকটবর্তী বন্দর।

[প্রাথমিকের টেট-এ বসতে পারবেন প্রশিক্ষণরতরাও, নির্দেশ হাই কোর্টের]

আলোর সেই সঙ্কেত অশনি তা বুঝতে সময় লাগে খানিকটা। জাহাজের দিকে ছুটে আসতে থাকে বেনামি ট্রলার। ক্যাপ্টেন বুঝে যান সুন্দরবনের কুখ্যাত জলদস্যুদের কবলে পড়েছেন তাঁরা। জাহাজের সমস্ত পণ্য লুট করে জাহাজের কর্মীদের পণবন্দী করে নিয়ে যাওয়াই যাদের দস্তুর। পণ্যবাহী জাহাজে অস্ত্রশস্ত্র কিছুই ছিল না। খালি হাতে জলদস্যুদের মুখোমুখি দাঁড়ানো আত্মহত্যার শামিল। এসময় আচমকাই আশীর্বাদের মতো উদয় হয় ঝড়খালি উপকূলরক্ষী বাহিনীর আরেকটি জাহাজ। দূর থেকে আধিকারিকরা বুঝতে পারেন বিপদে পড়েছে পণ্যবাহী জাহাজটি। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ডেকে পজিশন নিয়ে নেয় উপকূলরক্ষী বাহিনী। গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জলদস্যুরাও। এরপর দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে চলে গুলির লড়াই। নদীতে গুলির লড়াইয়ের পর চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। পণ্যবাহী ওই জাহাজটিকে লুঠ করবে বলে পরিকল্পনা করেছিল জলদস্যুরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শনিবার ভোর রাতে খবর পেয়ে তড়িঘড়ি এলাকায় পৌঁছে যায় উপকূলরক্ষী বাহিনী। অবস্থা বেগতিক যে অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটেছে সেখানে দু’পাশে গভীর জঙ্গল। জলদস্যুদের হাত থেকে বাঁচলেও না খেয়ে বাঘের পেটেই মৃত্যু হয় অনেকের। এ যাত্রায় বেঁচে গিয়ে তাই রাজ্যের উপকূলরক্ষী বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশি জাহাজের কর্মীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে দু’রাউন্ড গুলি ছোড়ে দস্যুরা। গুলিতে কেউ জখম হয়নি বলেই জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত জলদস্যু জাহাজটি চম্পট দিলেও তদন্তে নেমেছে উপকূলরক্ষী বাহিনীর পুলিশ। উপকূলরক্ষী বাহিনী জানিয়েছে, অন্ধকারে দৃশ্যমানতা স্পষ্ট ছিল না। এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছে জলদস্যুরা। বাংলাদেশের এই পণ্যবাহী জাহাজ শুক্রবারই কলকাতা থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জাহাজ লুটের উদ্দেশ্যেই জড়ো হয়েছিল জলদস্যুরা। সুন্দরবনের বিদ্যাধরী নদীর উপর এ এলাকায় জলদস্যু হামলা নতুন ঘটনা নয়। শনিবার ভোর রাতে বাংলাদেশি জাহাজে আক্রমণের খবর পেয়ে বিশাল বাহিনী নিয়ে চলে আসে ঝড়খালি কোস্টাল গার্ডের পুলিশ। জলদস্যু জাহাজটির খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

[আজই কি বিজেপিতে যোগদান মুকুলের, তুঙ্গে জল্পনা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.