Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Tajpur

আস্ত সমুদ্র চুরি! মাটি ফেলে ভরাট হচ্ছে পাড়, তাজপুরে দেদার বেআইনি হোটেল নির্মাণে ছড়াচ্ছে উদ্বেগ

সোমবার মন্দারমণি উপকূল থানা অভিযান চালিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১৫:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৫, ১৫:০২

options
link
আস্ত সমুদ্র চুরি! মাটি ফেলে ভরাট হচ্ছে পাড়, তাজপুরে দেদার বেআইনি হোটেল নির্মাণে ছড়াচ্ছে উদ্বেগ zoom
এভাবেই চলছে নির্মাণকাজ। নিজস্ব চিত্র

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: পর্যটনকেন্দ্র তাজপুরে রমরমিয়ে চলছে বেআইনি হোটেল নির্মাণ! অভিযোগ, সমুদ্রের উপরেই এই নির্মাণ চলছে বহাল তবিয়তে। প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা ও কোস্টাল রেগুলেটিং জোন আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এই নির্মাণ হচ্ছে। দিনের আলোয় এমন নির্মাণ চলছে বলে অভিযোগ। দিন দিন লাফিয়ে বাড়ছে তাজপুরে বেআইনি নির্মাণ। সোমবার মন্দারমণি উপকূল থানা অভিযান চালিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। সমুদ্রের উপর এই বেআইনি নির্মাণ কয়েক মাস ধরে কীভাবে চলছিল? এর পিছনে কাদের হাত রয়েছে? এমন একগুচ্ছ প্রশ্নে সরগরম পর্যটনকেন্দ্র তাজপুর।

এ যেন আস্ত সমুদ্র চুরি! একদম দিনে দুপুরেই চলছে এমন কাজ। যেখানে সিআরজেড আইনে সমুদ্র থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশিকা রয়েছে। পাশাপাশি মাসখানেক আগে মন্দারমণি সমুদ্র সৈকতে তৈরি হওয়া ১৪৪টি হোটেল ভাঙার নির্দেশিকা জারি করে জাতীয় পরিবেশ আদালত। যদিও বিষয়টি কলকাতা হাই কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। তারপরও তাজপুর পর্যটনকেন্দ্রে সমুদ্রের উপর গার্ডওয়াল করে সমুদ্রে জোয়ারভাটা আটকে মাটি ফেলে ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে। প্রকাশ্য সমুদ্র চুরির মতো অভিযোগ উঠলেও মন্দারমণি উপকূল থানার পুলিশের কোনও পদক্ষেপ নজরে পড়েনি আগে। যা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এমন অভিযোগ পাওয়ার পরে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজি বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন।

Advertisement

উল্লেখ্য, জোয়ারে সমুদ্রের জল যত দূর পৌঁছয়, সেখান থেকে ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও নির্মাণ করা যায় না। অথচ, তাজপুরে সৈকতপাড়ে এমন লজও রয়েছে, জোয়ারের সময় যার দেওয়ালে আছড়ে পড়ছে সমুদ্রের ঢেউ। সৈকতের ধারে বেশ কয়েকটি হোটেলে আবার জোয়ারের জল ‘গার্ডওয়াল’ টপকে ঢুকে পড়ছে। সিলামপুর, দক্ষিণ পুরুষোত্তমপুর, সোনামুই মৌজায় নিচু জলাজমি ভরাট করে চলছে একের এক নির্মাণ। যা নিয়ে উদাসীন প্রশাসন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। তাজপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামল দাস বলেন, ‘‘আমরা বারবার জানিয়েছি। কিন্তু কেউ শোনেননি। অবৈধ নির্মাণ দেখার কাজ সংগঠনের নয়। তার জন্যে প্রশাসন রয়েছে।’’

রামনগর ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নিতাইচরণ সার বলেন, ‘‘সমুদ্র দখল করে হোটেল ও গার্ডওয়াল তৈরি হচ্ছে। এ বিষয়ে আমরা খবর পেয়েছি। পঞ্চায়েত সমিতির বা পঞ্চায়েতের কোনও অনুমোদন নেই। আমরা অবৈধ নির্মাণকারীদের বিরুদ্ধে নিশ্চিত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.