দিব্যেন্দু মজুমদার, হুগলি: এবার কংগ্রেসের আবদুল মান্নানের ভাই মুজিবর রহমান ও তার স্ত্রীর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানকে ঘিরে রীতিমতো শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। এদিন স্বামী-স্ত্রী দুজনে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন। অন্যদিকে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান এই যোগদানকে কেন্দ্র করে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন।
এই বিষয়ে মুজিবর রহমান বলেন, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তৃণমূলে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। দাদা যেখানে আবদুল মান্নান আর রাজনীতিতে সেই দাদার ভাই হয়ে তৃণমূলে যোগদান প্রসঙ্গে মুজিবর রহমান বলেন, এটা কখনওই অস্বাভাবিক নয়। নীতিগতভাবে সকলেরই আলাদা আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি আছে। মুজিবর রহমানের স্ত্রী জানান, তাঁর স্বামীর অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল তৃণমূলের হয়ে কাজ করার। আজকে যদি দিদির আশীর্বাদ মাথার উপর থাকে ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইচ্ছায় কাজ করার সুযোগ পায় তবে তাঁরা দুজনেই উন্নয়নের কাজ করবেন।
[আরও পড়ুন: বিজেপিতে ধস, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৪০০০ নেতা-কর্মীর তৃণমূলে ‘ঘর ওয়াপসি’]
এদিকে, ভাইয়ের এই তৃণমূলে যোগদানকে কটাক্ষ করে আবদুল মান্নান বলেন, ‘কেউ যদি দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাতে চায় আমি কি করব?’ এদিকে এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এটা সকলেই বুঝতে পারছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন যেখানে বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের আবদুল মান্নান সেখানে তার ভাই আজ, তৃণমূলে যোগদান নিঃসন্দেহে প্রমাণ করছে কংগ্রেস কিছুই করে না।’ পাশাপাশি, সাংসদ কটাক্ষ করে বলেন, সিপিএমের সঙ্গে থাকার জন্য এবার কংগ্রেস থেকে অনেকেই তৃণমূলে চলে আসবে। তবে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের অন্দরমহলে এই যোগদানকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ দানা বেঁধেছে। সূত্রের খবর, তৃণমূলে যোগদান করেই প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন মুজিবর রহমান। তাতেই চটেছেন তৃণমূলের একাংশ।
সর্বশেষ খবর
-
৩ বছর একই অফিসে কর্মরত পঞ্চায়েত কর্মীদের বদলির নির্দেশ, ১১,১৫৪টি শূন্য পদে দ্রুত নিয়োগ
-
সাইয়ের ২০০ কোটির প্রকল্প আটকে দিয়েছিল তৃণমূল! মমতা-অরূপকে কাঠগড়ায় তুলে বিস্ফোরক দিন্দা
-
খালি পায়ে সাড়ে তিন হাজার সিঁড়ি বেয়ে তিরুপতিতে জাহ্নবী, কেন এই কঠিন ব্রত?
-
সই-কাণ্ডে ফিরহাদের বাড়িতে সিআইডি, মিটিংয়ে কী ঘটেছিল? জিজ্ঞাসাবাদ মেয়রকে
-
ভুল নিয়মে পরলেই ঘোর অমঙ্গল, শুক্রের কৃপা পেতে কীভাবে হিরে ধারণ করবেন?