Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

কংগ্রেসিদের হাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা, অধ্যক্ষকে চিঠি মানসের

কংগ্রেসেরই কোনও সদস্যের হাতে আক্রান্ত হতে পারেন, এই আশঙ্কা থেকে মঙ্গলবার বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন পিএসি চেয়ারম্যান মানস ভুঁইয়া৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৬, ১১:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩১, ২০১৬, ১১:৩৮

options
link
কংগ্রেসিদের হাতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা, অধ্যক্ষকে চিঠি মানসের zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন৷ কংগ্রেসেরই কোনও সদস্যের হাতে আক্রান্ত হতে পারেন, এই আশঙ্কা থেকে মঙ্গলবার বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন পিএসি চেয়ারম্যান মানস ভুঁইয়া৷ একইসঙ্গে দলের সামগ্রিক অবস্থা নিয়ে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীকে চিঠি দিয়েছেন তিনি৷

গত ২৬ আগস্ট বিধানসভায় কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের বৈঠকে সবংয়ের বিধায়ক মানস ভুঁইয়াকে বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়৷ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরির উপস্থিতিতে ওই বৈঠকে কংগ্রেস বিধায়করা সিদ্ধান্ত নেন, মানস ভুঁইয়াকে সাসপেন্ড করা হোক৷ পরে বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দেন, “কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের ঘরে মানস ভুঁইয়া আর বসতে পারবেন না৷ তাঁকে বয়কট করা হয়েছে৷ কংগ্রেসের পরিষদীয় দল থেকে মানস ভুঁইয়াকে সাসপেন্ড করা হয়েছে৷” তবে, দলগতভাবে সাসপেন্ডের বিষয়টি এআইসিসির উপর ছেড়ে দেওয়া হয়৷ কিন্তু এই সিদ্ধান্তের কথা মানসবাবুকে কেন চিঠি দিয়ে জানানো হয়নি, তা নিয়ে অবশ্য কোনও কথাই বলতে চাননি বিরোধী দলনেতা৷ এমনকী, বিষয়টি স্পিকারকেও জানানো হয়নি৷ ওইদিনই মান্নান জানিয়েছিলেন, “এর পরেও কংগ্রেসের ঘরে মানস ভুঁইয়া ঢুকলে, যদি কিছু ঘটে যায় তার দায় তিনি নেবেন না৷”

Advertisement

পরিষদীয় দলের সিদ্ধান্তের পরই নিরাপত্তার অভাব বোধ করেন প্রবীণ কংগ্রেস বিধায়ক মানস ভুঁইয়া৷ মঙ্গলবার তিনি বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়ে গোটা বিষয়টি জানান৷ তাঁর বক্তব্য, “আমি মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছি৷ বিরোধী দলনেতা যে ভাষায় কথা বলেছেন, তাতে আমি আতঙ্কিত, বিধানসভার ভিতরে কিংবা বাইরে আক্রান্ত হতে পারি৷ নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি৷ সেই কারণে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি৷” প্রয়োজনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও চিঠি দিয়ে বিষয়টি জানাবেন বলে জানান মানসবাবু৷ একইসঙ্গে মানস জানান, আমি এখন রিফিউজি৷ স্পিকারের কাছে অনুরোধ করেছি, যদি বসার জায়গার কোনও ব্যবস্থা করা যায়৷ যদিও মানসের এই চিঠিকে কোনও গুরুত্ব দিতে চাননি বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান৷ তাঁর বক্তব্য, “আমি অঙ্কের শিক্ষক থাকাকালীন কোনও ছাত্রকে বেত পর্যন্ত মারিনি৷” এদিকে মানস ভুঁইয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেসের পরিষদীয় দলের ঘরে এক গ্লাস জল খেতেও যাবেন না৷

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.