Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬

রমজান মাসের পর উঠে যাবে কংগ্রেস! অধীর দুর্গে শুভেন্দুর হুঙ্কার

বিরোধীরা ছন্নছাড়া ছিল বলেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মোদি, দাবি শুভেন্দুর৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০১৮, ১৪:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১০, ২০১৮, ১৪:১৮

options
link
রমজান মাসের পর উঠে যাবে কংগ্রেস! অধীর দুর্গে শুভেন্দুর হুঙ্কার zoom
Advertisement

শাহজাদ হোসেন, ফরাক্কা: রাজ্য কংগ্রেস দলটাই উঠে যাবে রমজান মাসের পর। সাফ জানিয়ে দিলেন পরিবহণমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে আগামী লোকসভা নির্বাচনে মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জেলায় পাঁচটি আসনে বিরোধী-শূন্য করার ডাক দিলেন তিনি৷

রঘুনাথগঞ্জের মহলদারপাড়ায় জঙ্গিপুর মহকুমা তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকা এক সভায় মুর্শিদাবাদ জেলা তৃণমূল কংগ্রেস পর্যবেক্ষক পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কংগ্রেস দলটা উঠে যাবে রমজান মাসের পর। কংগ্রেস বিধায়কদের তালিকা নিয়ে ঘুরছি। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আর সিপিএম  সাইনবোর্ডে পরিণত হয়েছে।” পরিবহণমন্ত্রী মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ, জঙ্গিপুর ও রঘুনাথগঞ্জ তিনটি সভাতেই রাজ্যের বিরোধীদের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন।

Advertisement

[শরীর অসাড়, মায়ের কোলে চেপে পরীক্ষা দিয়েই উচ্চ মাধ্যমিকে অসামান্য ফল রোহিতের]

পরিবহণমন্ত্রী এদিন বলেন, “২০১১ সালে মুর্শিদাবাদ জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল মাত্র ১১ শতাংশ ভোট। জেলায় একটি বিধানসভায় জয়ী হয়েছিলাম আমরা। ২০১৬ সালে নির্বাচনে ভোট বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৩২ শতাংশ। একটি বিধানসভা থেকে চারটি আসনে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নযজ্ঞে শামিল হতে জেলার পঞ্চায়েত সদস্য ও কংগ্রেস বিধায়করা দলত্যাগ করে তৃণমূলে শামিল হয়েছেন৷ কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা বুঝেছেন, অধীর চৌধুরি তাঁদের ভুল বুঝিয়ে এতদিন রেখেছিলেন। দিদির হাত ধরে মুর্শিদাবাদ জেলায় উন্নয়ন ঘটেছে। তাই তাঁরা কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করছেন।” এর পরেই তিনি বলেন, “রমজান মাস শেষ হওয়ার পর রাজ্যে কংগ্রেস দলটা উঠে যাবে।”

[হেলমেট ছাড়াই বাইকে! সচেতনতা বাড়াতে আরোহীদের চড়ানো হল খচ্চরের পিঠে]

এদিন সবকটি সভাতেই শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করে বলেন, “৩১ শতাংশ ভোট পেয়ে নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। কারণ বিরোধীরা ছিল সব ছন্নছাড়া। আজ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিরোধীরা একজোট হয়েছে। সাম্প্রতিক সবকটি নির্বাচনে বিজেপির হার হয়েছে। বিরোধীদের ভোট এখন আর ভাগ হচ্ছে না। বিরোধীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পরাজিত হবেই। তৃণমূল কংগ্রেসকে রোখার ক্ষমতা কারও নেই। রাজ্যে ৪২টি লোকসভা আসনে জয়ী হবে তৃণমূল। ভারতে আগামিদিনে কে প্রধানমন্ত্রী হবেন, তা ঠিক করবে তৃণমূল কংগ্রেসই।’’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.