Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার কথা তুলে ময়ূরেশ্বরে বিতর্কিত পোস্টার

পোস্টার কাদের মস্তিষ্কপ্রসূত তা নিয়ে শাসক-বিরোধী তরজা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০১৮, ১৩:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০১৮, ১৩:৫৭

options
link
পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার কথা তুলে ময়ূরেশ্বরে বিতর্কিত পোস্টার zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: পুলিশি নিষ্ক্রিয়তায় ময়ূরেশ্বর দুই ব্লকের উলকুন্ডা পঞ্চায়েত এলাকার বিভিন্ন গ্রামে বিতর্কিত পোস্টার পড়ল বৃহস্পতিবার। ওই পঞ্চায়েত এলাকার কমপক্ষে দশটি গ্রামে সাদা কাগজের ওপর কালো কালিতে ছাপানো পোস্টারগুলি জনবহুল এলাকায় সকাল থেকে লক্ষ্য করা যায়।যাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলের দাবি, এলাকায় অশান্তি ছড়াতে এটা বিজেপির চক্রান্ত। বিজেপি অবশ্য এর পিছনে রাজনীতি দেখছে না। তাদের মতে বাস্তব পরিস্থিতি দেখে এলাকাবাসীরা এই পোস্টার দিয়ে থাকতে পারেন। এদিকে এই পোস্টারের পর গ্রামে গ্রামে চাপা উত্তেজনা। নিজেদের গ্রাম রক্ষায় তাঁরা এবার গ্রামরক্ষী বাহিনীর কথা ভাবছেন বলা জানান।

[কাঠুয়া কাণ্ডের অভিনব প্রতিবাদ, অভিযুক্তদের বাড়িতে পাঠানো হচ্ছে জুতো]

ময়ূরেশ্বর দুই ব্লকের উলকুন্ডা পঞ্চায়েত এলাকার ন’পাড়া, মহাদীপ, ঝলকা, পাঠানপাড়া, রামনগর-সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে সকালে পোস্টারগুলি দেখতে পান গ্রামবাসীরা। পোস্টারগুলিতে তৃণমূলের বিশেষ বাইক বাহিনীর আক্রমণ রুখতে গ্রামবাসীদের সজাগ ও সতর্ক থাকার আবেদন করা হয়েছে। সৌজন্যে ‘এলাকাবাসী’। ন’পাড়া গ্রামের ধর্মরাজ তলায়, মহাদীপের ক্লাব ঘরের পাশে দুদিকে,পাঠান পাড়ার বিদ্যুতের খুঁটিতে, ঝলকা গ্রামের শিবমন্দিরে, রামনগরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পোস্টারগুলি দেখা যায়। যদিও বেলা বাড়তে পোস্টারগুলি ছিঁড়ে ফেলা হয়। কিন্তু কারা এই পোস্টার দিয়েছে, কারাই বা ছিঁড়ে ফেলল সে নিয়ে ধন্দে এলাকাবাসীরা।তবে উলকুন্ডা পঞ্চায়েতের প্রধান তথা তৃণমূল নেতা সামশের আলম বলেন, আমাদের পঞ্চায়েত এলাকা শান্তিপূর্ণ। উন্নয়নের প্রতিযোগিতায় না পেরে এখন অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাছে।তবে ওই এলাকার বিজেপির অঞ্চল সভাপতি হরিচরণ মণ্ডল বলেন, নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে তৃণমূল বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। কিন্তু মানুষ প্রকৃত তথ্য সবই জানে। আমরা বরং কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে গ্রামে গ্রামে গ্রাম রক্ষীবাহিনী গঠনের প্রস্তাব দিয়েছি। তবে ঝলকা গ্রামের ধীরেন ধীবর বলেন, পোস্টার দেখার পর গ্রামে সব আলোচনা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমরা আতঙ্কিত ফের কোনও হামলা হবে কিনা এই ভেবে। ন’পাড়া গ্রামের মিহির ভল্লা বলেন, ‘আমরা সকালে ক্লাবে এসে দেখি দুপাশে দুটি পোস্টার। অথচ কাল রাত পর্যন্ত ছিল না। আমরা বহিরাগতদের গ্রামে ঢোকার ক্ষেত্রে সতর্ক আছি। বেশিরভাগ গ্রামবাসী দাবি করেছেন, এই নির্বাচনের মুখে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তা প্রমান করে দিল যে কোনও ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তবে আমরা নিজেরা এবার সতর্ক থাকছি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[ভোট পিছোলে বর্ষায় গ্রামবাসীকে স্কুলে আশ্রয় কীভাবে, শিরে সংক্রান্তি প্রশাসনের]

পুলিশের তরফে কেউ মুখ খোলেনি। তবে জেলা প্রশাসনের কর্তারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে জানায়। তৃণমুলের জেলা সহ-সভাপতি অভিজিত সিং বলেন, ‘এটা বিজেপির চক্রান্ত। কোনও দিকে না পেরে এলাকায় বিদ্বেষ ছড়াতে এই পোস্টার মেরেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বলেন, এটাকে ঘিরে রাজনৈতিক পরিবেশ জলঘোলা করার চেষ্টা চলছে। এটা রাজনীতির বিষয় নয়। সাধারণ মানুষ তাদের অভিজ্ঞতার কথা লিখে থাকতে পারে। তবে তাকে ঘিরে যেন অশান্তি না হয় তার নিশ্চয়তা দিতে হবে।’

ছবি-সুশান্ত পাল

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.