সৌরভ মাজি, বর্ধমান: সরকারি অফিসে কেন আইবুড়ো ভাতের আয়োজন, কেনই বা সেই আয়োজনে শামিল হয়ে আইবুড়ো ভাত খেলেন বিডিও? ঘটনা ঠিক কী ঘটেছে? তা জানতে চেয়ে বিডিওকে চিঠি পাঠালেন বর্ধমান সদর উত্তরের মহকুমা শাসক তীর্থঙ্কর বিশ্বাস। যদিও এ বিষয়ে বিডিও রজনীশ যাদব মুখ খুলতে চাননি। তবে বিষয়টি নিয়ে যে প্রশাসনিক মহলে বেশ শোরগোল পড়েছে, তা স্পষ্ট। বিশেষত ভিডিওটি ভাইরাল (Viral Video) হওয়ার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ঘটনা ঠিক কী? বর্ধমান-১ (Bardhaman) ব্লকের বিডিও রজনীশ যাদব। তিনি হাওড়ার (Howrah) লিলুয়ার বাসিন্দা। মাস কয়েক আগে বর্ধমানে বদলি হয়েছেন তিনি। কিন্তু কম সময়ের মধ্যেই রজনীশ কাজে দক্ষতার নিরিখে খ্যাতি অর্জন করেছেন। সকলে তাঁকে বেশ পছন্দ করে। আগামী ১১ জুলাই রজনীশের বিয়ে। সেই উপলক্ষে বুধবার দুপুরে বিডিও (BDO) অফিসেই আইবুড়ো ভাতের আয়োজন করা হয়েছিল। কাঁসার থালাবাটিতে ভাত, ভাজা, ডাল, শুক্তো, মাছ, মাংস, চাটনি, মিষ্টি-সহ পঞ্চব্যঞ্জনে আইবুড়ো ভাত দেওয়া হয় তাঁকে। এই আয়োজনটুকুই নয়, ফুলের পাপড়ি দিয়ে সাজানো হয়েছিল টেবিল। আইবুড়ো ভাতের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন তথা তৃণমূল বর্ধমান ১ ব্লক সভাপতি কাকলি তা গুপ্ত, পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ মানস ভট্টাচার্য। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আশীর্বাদের পর কাকলিদেবীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন রজনীশ। আর এতেই বেঁধেছে বিতর্ক।
[আরও পড়ুন: ব্রিটিশ নির্বাচনে দাপট ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের, দল হারলেও জয়ী সুনাক]
সরকারি দপ্তরে কেন এই আইবুড়ো ভাতের আয়োজন? সেই প্রশ্ন উঠেছে। আর তা নিয়ে বিডিও রজনীশকে চিঠি পাঠিয়ে গোটা বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলেন মহকুমা শাসক (SDO) তীর্থঙ্কর বিশ্বাস। তাঁর দাবি, সংবাদমাধ্যমে যা দেখানো হচ্ছে, ভাইরাল ভিডিও থেকেই যা দেখা যাচ্ছে, তার সবটাই কি সত্যি? সেদিন ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? তা জানতে চেয়েই এই চিঠি।
[আরও পড়ুন: কবে গড়াবে দিঘার রথের চাকা? কী জানালেন মমতা?]
সর্বশেষ খবর
-
স্কুলেই জরায়ুমুখ ক্যানসারের টিকা, ছাত্রীদের জন্য মেগা পরিকল্পনা স্বাস্থ্যদপ্তরের
-
দল ও সরকার গোলানো যাবে না, শাসকের ভূমিকা কী? বিজেপি সাংসদ-বিধায়কদের পাঠ শাহের!
-
হরমুজে ফের জাহাজে হামলা! ‘শিক্ষা দিতে’ ইরানে গোলাবর্ষণ আমেরিকার, বন্ধ প্রণালী
-
প্রৌঢ়ার বুকে আস্ত পাকস্থলী! জটিল অস্ত্রোপচার সরকারি হাসপাতালে
-
সঙ্গী ‘পারো’, ৭০০ কিমি পাড়ি দিয়ে রথে জগন্নাথ দর্শনে সাঁইথিয়ার গোপাল