বিক্রম রায়, কোচবিহার: অবশেষে বাড়ি ফিরলেন কোচবিহারের শীতলকুচির কৃষক উকিল বর্মন। গত মাসে কাঁটাতারের ওপারে চাষের করার সময় তাঁকে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশিরা। তারপর তাদের হাত থেকে বিজিবি উকিল বর্মনকে উদ্ধার করে তাদের হেফাজতে রাখে। নানা টানাপোড়েনোর পর বুধবার তাঁকে বিএসএফের হাতে তুলে দেয় বিজিবি। রাতেই বিএসএফ জেলা পুলিশের হাতে তুলে দেয় উকিল বর্মনকে। এরপরেই স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে তাঁকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার সূত্রপাত গত ১৬ এপ্রিল। ওইদিন ভারত-বাংলাদেশের শীতলকুচি সীমান্তে বাংলাদেশি পাচারকারী গুলিবিদ্ধ হয়। কোচবিহারে এমজিএন মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর কাঁটাতারের ওপারে চাষের কাজ করতে যান কোচবিহারের কৃষক উকিল বর্মন এবং তাঁর স্ত্রী। অভিযোগ, বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি দুষ্কৃতী উকিলকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তা জানাজানি হয়। বিষয়টিতে নজর পড়ে বিএসএফের।
বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিজিবির সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয় বিএসএফের। তবে তা সত্ত্বেও উকিল বর্মনকে বাংলায় ফেরানো সম্ভব হয়নি। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পরিজন এবং প্রতিবেশীরা। সময় যত গড়াতে থাকে ততই যেন উকিল বর্মনকে ফেরানোর দাবিও জোরাল হতে থাকে। বিএসএফকে ঘিরে দফায় দফায় বিক্ষোভও দেখান স্থানীয়রা। দুশ্চিন্তায় প্রহর গুনতে থাকেন প্রায় সকলে। হাজারও টানাপোড়েনের পর অবশেষে বুধবার তাঁকে বিএসএফের হাতে তুলে দেয় বিজিবি। রাতেই বিএসএফ জেলা পুলিশের হাতে তুলে দেয় উকিল বর্মনকে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে তিনি সুস্থই রয়েছেন। এদিকে, বুধবারই পাকিস্তানে বন্দি ভারতীয় বিএসএফ জওয়ানেরও মুক্তি ঘটেছে। তাতে স্বাভাবিকভাবেই খুশি প্রত্যেক ভারতবাসী। উদ্বেগ কেটেছে পরিবারের লোকজনেরও।
সর্বশেষ খবর
-
‘চার্টার্ড ব্যুরোক্র্যাট পার্টিকে হাইজ্যাক করেছিল’, জ্ঞানেশ-সাক্ষাতের পর অভিষেককে বিঁধলেন ঋতব্রত
-
‘দাবির প্রশ্ন নেই, তৃণমূল আমরাই’, জ্ঞানেশের কাছে সওয়াল ঋতব্রতদের, দলের তহবিল হারাবেন মমতা?
-
পদ নেই, তবু দল নির্বাচনী বৈঠকে হাজির মদন! সিএবির প্রাক্তন যুগ্মসচিবকে ঘিরে জোর বিতর্ক
-
জনরোষে তৃণমূল নেতারা, পাথরপ্রতিমায় জুতোপেটা, গণধোলাই! বারাসতে পা ধরে চাইলেন ক্ষমা
-
অস্বস্তিতে কালীঘাট তৃণমূল! ফ্রিজই থাকছে অ্যাকাউন্ট, ব্যাঙ্ক-পুলিশের কাছে রিপোর্ট তলব হাই কোর্টের