Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Kharagpur IIT

বর্জ্য থেকে তৈরি হবে রান্নার গ্যাস-জৈব সার! পরিবেশ রক্ষায় ‘বিপ্লব’ খড়গপুর আইআইটির

বর্জ্য থেকে রান্নার গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদনের একটি প্রকল্প রূপায়ণের পথে খড়গপুর আইআইটি। সেজন্য খড়গপুর আইআইটি চত্বরে জমিও ঠিক করা হয়েছে। সেখানেই এই প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে বলে খবর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একটি দিশা দেখাতে চলেছে খড়গপুর আইআইটি।

Advertisement
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৯:১৬

link
অংশুপ্রতীম পাল
অংশুপ্রতীম পাল

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ১৯:১৬

options
link
বর্জ্য থেকে তৈরি হবে রান্নার গ্যাস-জৈব সার! পরিবেশ রক্ষায় ‘বিপ্লব’ খড়গপুর আইআইটির zoom
প্রতীকী ছবি।

বর্জ্য থেকে রান্নার গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদনের একটি প্রকল্প রূপায়ণের পথে খড়গপুর আইআইটি। সেজন্য খড়গপুর আইআইটি চত্বরে জমিও ঠিক করা হয়েছে। সেখানেই এই প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে বলে খবর। এই প্রকল্পের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় ও জ্বালানি সাশ্রয়ে একটি দিশা দেখাতে চলেছে খড়গপুর আইআইটি। আর এই প্রকল্প রূপায়নের জন্য সম্প্রতি গোয়ায় আয়োজিত ইন্ডিয়া এনার্জি উইক ২০২৬-এ ওয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের সঙ্গে খড়গপুর আইআইটির একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে খড়গপুর আইআইটি চত্বরে নির্দিষ্ট করা জমিতে একটি আধুনিক কমপ্রেসড বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপন করা হবে।

গোয়ায় আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক শক্তি সম্মেলনে খড়গপুর আইআইটির ক্যাম্পাস ও কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট ডিন অধ্যাপক ব্রজেশ দুবে ও অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের পক্ষ থেকে কার্যনির্বাহী আধিকারিক (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) রঞ্জন গোস্বামী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য বর্জ্য পদার্থকে শক্তি সম্পদে রূপান্তর করা। এই চুক্তিতে রীতিমতো উচ্ছ্বসিত খড়গপুর আইআইটির অধিকর্তা অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী বলেন, “ক্যাম্পাসের মধ্যে আইআইটির জমিতে বড় আকারে হবে। গত বছরের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা দিবসের একটি অনুষ্ঠানে অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের চেয়ারম্যান তথা এই প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তনী ডঃ রঞ্জিত রথ এসেছিলেন। তাঁর সঙ্গে এই প্রকল্প চালু করা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। তাঁকে জমি সহ অন্যান্য পরিকাঠামো দেখানো হয়েছে। তারই ফলশ্রুতি এই চুক্তি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আইআইটির অধিকর্তা অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী বলেন, “এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য শহর ও ক্যাম্পাসের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে উঠবে। শিল্প ও শিক্ষা ক্ষেত্রের এই যৌথ উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষা ও শক্তি উৎপাদনে একটি নতুন দিশা দেখাবে।” 

তিনি আরও বলেন, “এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য শহর ও ক্যাম্পাসের জন্য একটি অনুসরণযোগ্য মডেল হয়ে উঠবে। শিল্প ও শিক্ষা ক্ষেত্রের এই যৌথ উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষা ও শক্তি উৎপাদনে একটি নতুন দিশা দেখাবে বলে বিশ্বাস।” তিনি আরও জানিয়েছেন, কেবল খড়গপুর আইআইটির বর্জ্য পদার্থ নিয়ে এত বড় প্রকল্প হবে না। সেজন্য পুরসভা থেকে শুরু করে রেল ও শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকেও বর্জ্য পদার্থ সংগ্ৰহ করা হবে। আর এই বর্জ্যপদার্থ সংগ্ৰহের জন্য একটি আলাদা টিম গঠন করা হবে। তাঁর আশা আগামী এক বছরের মধ্যে এই বায়োগ্যাস প্রকল্প চালু করা সম্ভব হবে।

সুমনবাবুর কথায়, “আইআইটি ক্যাম্পাসের বাইরে থেকে বর্জ্য পদার্থ সংগ্ৰহের জন্য পুরসভা সহ রেল ও বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করা হবে।” তিনি আশাবাদী এই প্রকল্প চালু হলে শুধু আইআইটির পড়ুয়ারা নয়। তার বাইরে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়ারা অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে, কীভাবে বর্জ্য পদার্থ থেকে জৈবগ্যাস উৎপাদন হয় সেই বিষয়ে। এই প্রকল্পে জৈব বর্জ্য পদার্থ প্রক্রিয়াকরণ করে তৈরি হবে বায়োগ্যাস, যা জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার করা যাবে। পাশাপাশি উৎপন্ন হবে জৈব সার যা কৃষিকাজে ব্যবহার করা যাবে। ফলে আবর্জনা স্তূপাকার হয়ে থাকার সমস্যার সমাধান তো হবেই। পাশাপাশি গ্ৰিন হাউস নির্গমন কমবে ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.