Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
অভিষেকের গণহেঁশেল

কোনও পরিবার অভুক্ত থাকবে না, রোজ ৪০ হাজার মানুষকে খাওয়াবেন অভিষেক

'কল্পতরু' প্রকল্পের অধীনে ডায়মন্ড হারবারে ২১টি কমিউনিটি কিচেন তৈরি করা হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২০, ০৯:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২০, ০৯:২৪

options
link
কোনও পরিবার অভুক্ত থাকবে না, রোজ ৪০ হাজার মানুষকে খাওয়াবেন অভিষেক zoom
Advertisement

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: লকডাউনের জেরে বিপদে পড়েছেন দুস্থ মানুষজন। খাদ্যসংকটের জেরে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন অনেকে। দুস্থদরে পাশে দাঁড়াতে রাজনীতিবিদ থেকে সমাজসেবী, বিনোদুনিয়ার তারকা থেকে ক্রীড়াবিদ অনেকেই এগিয়ে এসেছেন। শামিল হয়েছেন মানবিক উদ্যোগ। তেমনই মানবিক কর্মযজ্ঞে শুরু করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতিদিন নিজের ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ৪০ হাজার মানুষের খাবার দায়িত্ব নিলেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে এই ঘোষণা করে তিনি জানান, ‘কল্পতরু’ নামে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে তার সংসদীয় এলাকার জন্য। যেখানে মূলত কমিউনিটি কিচেন পরিষেবা চালু করা হবে আগামী ১২ এপ্রিল থেকে। লকডাউন উঠুক বা না উঠুক, ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত এই কমিউনিটি কিচেনের মাধ্যমে মোট সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের ৪০ হাজার মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব অভিষেকের। সাতটি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য মোট ২১টি কমিউনিটি কিচেন তৈরি করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে রান্না করা খাবার পৌঁছে যাবে মানুষের বাড়িতে। কাদের হাতে কীভাবে এই খাবার পৌঁছবে তাও জানিয়ে দিয়েছেন অভিষেক।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ৭ দিনে সাত পদ, লকডাউনে ভবঘুরেদের মুখে অন্ন তুলে দিতে অভিনব উদ্যোগ বনগাঁর বধূদের]

০৩৩৪০৮৭৬২৬২ এই নম্বরে ফোন করে আগামী ৯ এপ্রিল সকাল ৯টা থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। টানা ৩ দিন চলবে এই রেজিস্ট্রেশন পর্ব। যদি কারও খাবার প্রয়োজন নাও হয় কিন্তু তিনি যদি দেখেন রাস্তায় বা কোনও দুস্থ পরিবারের কেউ অভুক্ত রয়েছেন অথচ তিনি রেজিস্ট্রেশন করে নিজের কথা জানাতে পারেননি, অভিষেকের আবেদন তাঁর হয়ে কেউ সে কথা জানিয়ে দিন। তিনি বলেছেন, “যতদিন আমি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ থাকব একটা পরিবারও অভুক্ত থাকবে না। কেউ অন্তত একবেলা না খেয়ে শুতে পারবেন না।” লকডাউন পরিস্থিতি নিয়েও নিজের মত জানিয়েছেন অভিষেক। বলেছেন, নির্ধারিত ১৫ এপ্রিল লকডাউন উঠবে কিনা তা নির্ভর করছে সরকারি বিধি নিষেধ মানুষের শোনা বা না শোনার উপর। যত বেশি করে সামাজিক দূরত্ব রেখে মানুষ করোনা মোকাবিলায় নিজেকে সুস্থ্য রাখতে পারবেন তত দ্রুত লকডাউন তোলা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

একইসঙ্গে কিছু ন্যূনতম স্বাস্থ্যবিধির কথা বলেছেন। হু’র (WHO) নির্দেশিকার উল্লেখ করে বলেছেন, প্রচুর পরিমাণে জল খান। প্রোটিন জাতীয় খাবার খান। ছাদে বাড়ির ব্যালকনিতে বা নিদেনপক্ষে বাড়ির সামনের রাস্তায় ৫ মিনিট হলেও হাঁটুন। জামাকাপড় পড়ার আগে তা ভাল করে রোদে রাখুন। সঙ্গে নিয়ম মেনে আধঘন্টা অন্তর হাত ধুন। বস্তুত, গত কয়েকদিনে ঠিক যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের মানুষকে নিয়ে সতর্ক থাকতে আবেদন করেছেন একইভাবে আতঙ্ক কাটিয়ে সতর্ক থাকার কথা বলেছেন অভিষেকও।

[আরও পড়ুন: করোনা নিয়ে বৈঠকে নবান্নে বাম নেতারা, সবরকম সাহায্যের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীকে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.