Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৪ জুলাই ২০২৬

সম্পর্কে টানাপোড়েন, প্রেমিকের সঙ্গে আত্মঘাতী নাবালিকা

আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়া হয়েছিল যুগলকে, সন্দেহ পুলিশের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৭, ০৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৩, ২০১৭, ০৩:২৭

options
link
সম্পর্কে টানাপোড়েন, প্রেমিকের সঙ্গে আত্মঘাতী নাবালিকা zoom

স্টাফ রিপোর্টার: প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করল প্রেমিকযুগল। শনিবার রাতে রানাঘাট-শিয়ালদহ শাখার শিমুরালির কাছে রূপপুর এলাকার ঘটনা। রেলপুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত প্রেমিক-প্রেমিকার নাম প্রণব সরকার (২৪) ও কল্যাণী হালদার (১৫)।

প্রণবের বাড়ি চাকদহ থানার সান্যালচরের বাবলাতলা ও কল্যাণীর বাড়ি ওই থানার মধ্যচাঁদুরিয়া গ্রামে। কল্যাণী শিমুরালির উপেন্দ্র বিদ্যাভবন বালিকা বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল, যদিও প্রণব অনেকদিন আগেই পড়াশোনা ছেড়ে দিয়েছিল। সে কাঠের কাজ করত। কাজের সূত্রে কেরলে থাকত বেশিরভাগ সময়। মাঝেমধ্যে বাড়িতে আসত। এবার দুর্গাপুজোর সময় বাড়িতে এসেছিল। প্রণবের বোনের সঙ্গে একই ক্লাসে পড়াশোনা করত কল্যাণী। দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। সেই সূত্রে প্রণবের বোনের সঙ্গে দেখা করতে মাঝেমধ্যে প্রণবদের বাড়িতে আসত কল্যাণী। বাড়িতে আসার কারণে প্রণবের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল কল্যাণীর। পেশায় কাঠমিস্ত্রী প্রণবের সঙ্গে মেলামেশা কল্যাণীর বাড়ির লোকজন ভালভাবে হয়তো নেননি বলে পুলিশের ধারণা। ওই মেলামেশা চালিয়ে যাওয়া হয়তো কিছুটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছিল যুগলের পক্ষে। সম্ভবত সেই কারণে দু’জনে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[সাঁড়াশি অভিযান, প্রাণের ভয়ে বুলেট প্রুফ জ্যাকেট চাপালেন গুরুং]

শনিবার সন্ধেয় দু’জনে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছিল। শিমুরালির কাছে রূপপুরে ডাউন লাইনে আসা চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেয় তাঁরা। প্রচণ্ড গতিতে ট্রেন দুটি দেহকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। স্টেশনে উপস্থিত লোকজন তাঁদের বাঁচানোর কোনও সুযোগই পায়নি। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে রানাঘাট জিআরপি-র পুলিশ ডাউন লাইনের ধারে পড়ে থাকা মৃতদেহ দু’টি উদ্ধার করে। যদিও সঠিক কী কারণে দু’জনে একইসঙ্গে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিল, তা স্পষ্ট নয় রেল পুলিশের কাছে। পুলিশের কাছে কল্যাণীর বাবা কার্তিক হালদার বলেছেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে ওই ছেলেটির ভালবাসার সম্পর্কের কথা আমরা আগে জানতাম না। ওরা আমাদের বললে আমরা সম্পর্ক মেনে নিতাম। আমার মেয়েকে কখনওই এইভাবে মরতে দিতাম না।” প্রায় একই কথাই পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন প্রণবের বাবা অনন্ত সরকারও।

যদিও রেলপুলিশ মৃত ওই প্রেমিক-প্রেমিকার বাড়ির লোকজনের কথা কতটা ঠিক, তা খতিয়ে দেখতে তদন্তে নেমেছে। স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ নিশ্চিত হয়েছে, প্রণব ও কল্যাণীকে একসঙ্গে ঘুরতে দেখেছেন অনেকেই। অথচ দু’জনের বাড়ির লোকজন ওই সম্পর্কের কথা জানতেন না বলে জানিয়েছেন পুলিশের কাছে। যা পুলিশের কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়নি। কোন কারণের জন্য তাঁদের আত্মঘাতী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হল বা এই ঘটনার পিছনে কারও কোনও প্ররোচনা রয়েছে কিনা তদন্ত করবে পুলিশ। দুইজনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বান্ধবদের জেরা করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

[ফের একই লাইনে দুটি ট্রেন, পাঁশকুড়া লোকালে ধাক্কা বালিচক লোকালের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.