Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

গরিবের টাকা নিয়ে বড়লোক হতে চাই না! টাকা ফিরিয়ে নজির দরিদ্র দম্পতির

অভাব কাড়তে পারেনি সততা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৮, ২১:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৮, ২১:০০

options
link
গরিবের টাকা নিয়ে বড়লোক হতে চাই না! টাকা ফিরিয়ে নজির দরিদ্র দম্পতির zoom
ছবি: বাসুদেব ঘোষ

নন্দন দত্ত, সিউড়ি:  বিড়ি বেঁধে সংসার চলে তাঁদের৷ কিন্তু, অভাবের সংসারের হঠাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে হাজির ৪৫ হাজার টাকা৷ অযাচিত সেই টাকা শুক্রবার ব্যাংক থেকে তুলে বিডিও অফিসে ফিরিয়ে দিলেন বেবি বিবি ও তাঁর স্বামী শেখ আকাল৷ দরিদ্র পরিবারের এই দৃষ্টান্তের উপহার স্বরূপ তাঁদেরও একটি আবাস যোজনায় ঘরের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানালেন সিউড়ি এক ব্লকের বিডিও মহম্মদ বদরুদ্দুজা৷

[জল থইথই দুর্গাপুর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা]

কড়িধ্যা পঞ্চায়েতের কানাইপুর ভাটিপাড়ায় মাটির ঘরে বাস বেবি বিবি ও তাঁর স্বামী আকাল শেখের। মাটির দেওয়াল। মাথায় খড়ের চালা। তাতে ত্রিপল দিয়ে কোনও রকমে বর্ষার জল আটকানোর চেষ্টা। নিজেরই ঘর নেই তাঁদের, অথচ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির ৪৫ হাজার টাকা চলে এসেছে৷ বিষয়টি জানাজানি হয় দু’দিন আগে। বেবি বিবি জানান, গ্যাসের ভরতুকি ব্যাংকে ঢুকছে কি না, তা দেখতে ব্যাংকের পাশ বই নিয়ে যান। বই আপডেট করার পর দেখা যায়, তাঁদের অ্যাকাউন্টে অযাচিত টাকা ঢুকেছে৷ বিষয়টি পেশায় দিনমজুর স্বামী শেখ আকালকে বলেন বেবি বিবি৷ 

Advertisement

[‘গাড়ির বদলে হাঁটা’, দূষণ রুখতে অভিনব পদক্ষেপ কালিম্পং পুরসভার]

তিনি বলেন, ‘‘আমরা দু’জনে ঠিক করি, যাঁর বাড়ির জন্য টাকা এসেছে, সে নিশ্চয়ই আমাদের থেকেও গরীব। গরীবের টাকা নিয়ে আমরা বড়লোক হতে চাই না।’’ তাই দু’জনে বৃহস্পতিবার সিউড়ি এক নম্বর ব্লকে গিয়ে বিডিওর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি জানান। বিডিও মহম্মদ বদরুদ্দুজা বলেন, ‘‘চলতি আর্থিক বছরে তার ব্লকে ৩০২৫টি আবাস যোজনার বাড়ির জন্য প্রথম কিস্তির টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে গ্রাহকদের ব্যাংকে অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। এই দম্পতি আসার পর আমরা ব্যাংকে স্ক্রুটিনি করে জানতে পেরেছি, রাজারপুকুর সংসদের নিমডাঙ্গাল পাড়ার মহুলা মাড্ডির বাড়ি তৈরির টাকা বেবি বিবির অ্যাকাউন্টে ঢুকে যায়। প্রাথমিকভাবে গাফিলতিটি ব্যাংকের। কিন্তু নিজেদের অ্যাকাউন্টে টাকা পেয়েও যেভাবে গরীব একটি পরিবার সততার পরিচয় দিল, সেটা একটা দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।’’ তবে বিডিও জানান, যেহেতু বেবি বিবি ও আকালের নিজেদের ঘর নেই। আবাস যোজনার তালিকায় তাঁদের নাম উঠেছে কিনা তাঁর জানা নেই৷ তবে, তাঁরাও যেন আবাস যোজনায় একটি ঘর পান, সে ব্যাপারে তিনি প্রশাসনের কাছে তদবির করেন৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.