Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Vaccine

একজনকেই দেওয়া হল কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন! প্রশ্নের মুখে ঝাড়গ্রাম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের ভূমিকা

দুশ্চিন্তায় ওই বৃদ্ধের পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২১, ২০:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৯, ২০২১, ২০:৩৮

options
link
একজনকেই দেওয়া হল কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিন! প্রশ্নের মুখে ঝাড়গ্রাম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের ভূমিকা zoom
ছবি: প্রতীকী।

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: জাল ভ্যাকসিন কাণ্ড নিয়ে যখন তোলপাড় রাজ্য, ঠিক তখনই ঝাড়গ্রামে একই ব্যক্তিকে দু’রকম টিকা দেওয়ার অভিযোগ উঠল জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।মঙ্গলবার ঝাড়গ্রাম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েছেন ওই বৃদ্ধের ছেলে। ঘটনার পূর্নাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

ঝাড়গ্রাম (Jhargram) শহরের দশ নম্বর ওয়ার্ডের ঘোড়ধরা শীতলাডিহির বাসিন্দা শ্যামলাল সাহু। গত ৫ এপ্রিল ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতাল থেকে কোভিশিল্ডের প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন তিনি। ২৮ জুন ৮৪ দিন সম্পূর্ণ হয়েছে। ফলে সোমবার কোভিশিল্ডের দ্বিতীয় ডোজ নিতে ফের হাসপাতালে যান তিনি। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে কোভিশিল্ডের (covishield) দ্বিতীয় ডোজ না দিয়ে কোভ্যাক্সিনের (covaxin) প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। সার্টিফিকেট আসার পর বিষয়টি বোঝার পরই চিন্তায় পড়ে যান শ্যামলালবাবুর ছেলে অভিষেক। দু’রকম ভ্যাকসিন দেওয়া হলে কোনও বিপদ হতে পারে কিনা অভিষেক জানতে চেয়েছিলেন এক চিকিৎসকের কাছে। কিন্তু তিনি কোনও সদুত্তর পাননি বলেই অভিযোগ। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: যাদবপুরে স্থানীয়দের বিক্ষোভের মুখে NHRC’র সদস্যরা, কেন্দ্রীয় বাহিনীর লাঠিচার্জে জখম ৭]

মঙ্গলবার অভিষেক সাহু জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এদিন অভিষেক বলেন, “আমার বাবা প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন কোভিশিল্ডের। দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে দেওয়া হয়েছে কো-ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ। ঝাড়গ্রাম জেলা হাসপাতাল থেকেই প্রথম এবং দ্বিতীয়বার টিকা দেওয়া হয়েছে। কীভাবে এই ভুল হল? আমি চাই আমার সঙ্গে যা হল তা অন্য কারও সঙ্গে যেন না ঘটে। গ্রামের মানুষ এমনিতেই সরল। তাঁদের সঙ্গে আগে এরকম হয়নি তো? বাবার বয়স হয়েছে। আমি রীতিমত চিন্তায় রয়েছি বাবার স্বাস্থ্য নিয়ে। তদন্ত হোক।” বিষয়চি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন ঝাড়গ্রাম জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক।

[আরও পড়ুন: ‘শোলের সুরমা ভুপালির মতোই ধনকড়, হম্বিতম্বি করলেও আসলে দুর্নীতিগ্রস্ত’, কটাক্ষ তৃণমূলের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.