Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Susanta Ghosh

রাস্তাজুড়ে লাল নিশান, ৯ বছর পর নায়কের মতো নিজের গড়ে ফিরলেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ

চন্দ্রকোনায় সুশান্ত ঘোষের সভায় দেখা গেল জেলা স্তরের মাত্রা এক নেতাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২০, ২২:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৬, ২০২০, ২২:৩৭

options
link
রাস্তাজুড়ে লাল নিশান, ৯ বছর পর নায়কের মতো নিজের গড়ে ফিরলেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ zoom

সম্যক খান, মেদিনীপুর: দীর্ঘ ন’ বছর পর একেবারে নায়কের মতো ঘরে ফিরলেন একদা সিপিএমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা সুশান্ত ঘোষ (Susanta Ghosh)। আর ফিরেই হুঙ্কার ছাড়লেন তিনি। একুশের ভোটের আগে নব উদ্যমে ফের কর্মীদের ঝাঁপিয়ে পড়ার নির্দেশ দিলেন। এদিন তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে গোটা চন্দ্রকোনা রোড লাল পতাকায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল। শালবনি থেকে তাঁকে বাইক র‌্যালি করে চন্দ্রকোনা রোডের সভাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন দুই বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী, তন্ময় ভট্টাচার্য। 

Susanta Ghosh
চন্দ্রকোনা রোডের সভায় বক্তব্য রাখছেন সুশান্ত ঘোষ

২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর জেলযাত্রা থেকে শুরু করে নানা ঘাত- প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। দলের মধ্যেও বারবার বিতর্কে জড়িয়ে শেষপর্যন্ত সাসপেন্ডও হয়েছিলেন। সেসময় যে আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের বিরাগভাজন ছিলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের এই দাপুটে নেতা, এখন সেই আলিমুদ্দিনই তাঁর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। সেসময় উসকানিমূলক  ভূমিকার জন্য হাই কোর্ট তাঁকে মেদিনীপুরে নিজের গড়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। আশঙ্কা ছিল যে সুশান্ত ঘোষ ফিরলে ফের অশান্ত হতে পারে এলাকা। তবে গত সপ্তাহে শীর্ষ আদালত তাঁর উপর থেকে গড়বেতায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর রবিবারই নিজের ঘরে ফিরেছেন সুশান্ত ঘোষ। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট কাটার সময় দিতে হবে নম্বর, না হলে পড়তে পারেন এই সমস্যায়]

এদিন নিজের গড়ে ফিরে চন্দ্রকোনা রোডের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন সুশান্ত ঘোষ। দীর্ঘ জেলযন্ত্রণার কথাই বেশি করে বলেন। তাঁর অভিযোগ, তাঁকে জেলে রাখতে রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে। জেলে থাকাকালীন কীভাবে তাঁর মনোবলকে ভেঙে দিতে কখনও ৩৬ ঘন্টা, কখনও ৪৮ ঘন্টা টানা জেরা করা হত, তাও তিনি উল্লেখ করেছেন। তবে তিনি ভেঙে পড়েননি। তাঁর মতে, তৃণমূল ভয়ংকর, কিন্তু তার থেকে আরও ভয়ংকর বিজেপি। দুই দলের বিরুদ্ধেই সিপিএমের (CPM) লড়াই। লাল ঝান্ডাই তৃণমূল-বিজেপির একমাত্র বিকল্প বলে সকলকে একত্রিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সুশান্ত ঘোষ।

[আরও পড়ুন: আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়াচ্ছে বিজেপি, সোমবার উত্তরকন্যা অভিযানে দলের যুব মোর্চা]

তবে এদিন সুশান্ত ঘোষের সঙ্গে অনেক বেশি দেখা গেল কলকাতার নেতৃত্বকে। জেলা সম্পাদকমণ্ডলীর একমাত্র সদস্য বিজয় পাল যোগ দিলেন সুশান্তের সভায়। এমনিতেই তিনি জেলায় ফেরার আগেই অন্তর্দ্বন্দ্বের আঁচ টের পাওয়া যাচ্ছিল। কারণ, সুশান্ত ঘোষকে সাসপেন্ডের পর দলে ফিরিয়ে নেওয়ায় পদ্ধতিগত ত্রুটি আছে বলে অভিযোগ দলীয় কর্মীদের একাংশের। রবিবারের ছবিতে সেটা আরও স্পষ্ট হল বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.