১২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৯  মঙ্গলবার ২৯ নভেম্বর ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’, আগামী কয়েকদিন রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: May 29, 2017 3:35 am|    Updated: May 29, 2017 4:35 am

Cyclone MORA forms in Bay of Bengal, heavy rainfall predected

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিনভর কাঠফাটা গরমের পর রবিবার বিকেলে ভিজেছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা৷ আর তারপরই ফের বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর৷ এ রাজ্যের জন্য সুখবর হলেও অবশ্য বাংলাদেশে জারি হল সতর্কতা৷

হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কলকাতা থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’৷ আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে যা আছড়ে পড়বে বাংলাদেশে৷ আর সেই কারণেই মৎস্যজীবীদের উপকূল এলাকায় যাওয়ার উপর সতর্কতা জারি করা হয়েছে৷ ওই ঘূর্ণিঝড়ের ফলেই কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়ে দিলেন আবহাওয়াবিদরা৷

[পিস্তল হাতে ফিল্মি কায়দায় অপহৃত দেওরকে উদ্ধার ‘শুটার’ বউদির]

আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপ রবিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে৷ এটি বর্ষা ও বৃষ্টি– দুয়ের জন্যই সুখবর বয়ে আনছে বলে জানানো হয়৷ আপাতত নিম্নচাপটির অভিমুখ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে৷ এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশের উপকূল দিয়ে স্থলভূমিতে ঢুকে পড়ার কথা৷ যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘মোরা’৷ তারই জেরে মঙ্গল ও বুধবার বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা ও সাগর লাগোয়া অন্যান্য জেলাগুলিতে৷ তাছাড়া আগামী রবিবার পর্যন্ত আবহাওয়া মেঘলাই থাকবে৷ বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি সম্ভাবনার কথাও শুনিয়ে রাখল হাওয়া অফিস৷ দপ্তরের অধিকর্তা গণেশকুমার দাস বলেন, এই নিম্নচাপ বা আসন্ন ঘূর্ণিঝড় সম্ভাব্য যাত্রাপথে দিক পরিবর্তন না করলে এটি উত্তরবঙ্গের বর্ষাকে টেনে আনতে সাহায্য করবে৷ হাওয়া অফিসের বার্তায় রবিবার থেকেই জোড়া স্বস্তিতে বাংলার মানুষ৷ ছুটির দিনে বৃষ্টিতে তাপমাত্রা অনেকটাই কমেছে৷ গত ২৪ ঘণ্টায় শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৬ ডিগ্রি এবং সর্বোচ্চা ৩৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস৷ এদিকে, প্রবল ঝড়-বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ বিহারের বেতিয়া৷ গতকাল থেকে এখনও পর্যন্ত ২৩জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে৷ সোমবার সকাল থেকে দিল্লিতেও হচ্ছে বৃষ্টি৷

[মন্দারমণিতে স্নান করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন দুই যুবক]

উল্লেখ্য, মৌসুমি বায়ুর আন্দামান শাখা আন্দামান থেকে মায়ানমার, উত্তর-পূর্বাঞ্চল হয়ে ঢোকে উত্তরবঙ্গে৷ যার কিছুটা পরে নিচে নেমে আসে৷ গণেশবাবুর কথায়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম পর্যন্ত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢুকে পড়লে উত্তরবঙ্গে বর্ষা ঢোকার পথ প্রশস্ত হবে৷ পাশাপাশি সুগম হবে কেরল শাখার রাস্তাও, যার জেরে খুলবে দক্ষিণবঙ্গের বর্ষা-ভাগ্য৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে